Search This Blog

Tuesday, November 25, 2025

Ix Bengali

 ■ বাংলা ■ 

1.  'মন দিয়ে লেখাপড়া করবে।'- এটি ক্রিয়ার কোন্ কাল?-- (ক) ঘটমান বর্তমান (খ) সাধারণ ভবিষ্যৎ (গ) পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ (ঘ) ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা

2. বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণকে কী বলে?-- (ক) অঘোষ বর্ণ (খ) মহাপ্রাণ বর্ণ (গ) ঘোষ বর্ণ (ঘ) অল্পপ্রাণ বর্ণ।

3. প্রগত সমীভবনের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল- (ক) গল্পো (খ) ধইরা  (গ) চন্নন (ঘ) মোচ্ছব।

4.  যৌগিক স্বরধ্বনি হল- (ক) উ (খ) আ (গ) ই (ঘ) উ।

5.  'ভেঁপু' শব্দটি কোন্ জাতীয় শব্দ? (ক) দেশি (খ) বিদেশি (গ) সংকর (ঘ) অপশব্দ।

6.  "ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা।"-'ওরে' শব্দটি হল- (ক) বিস্ময়সূচক অব্যয় (খ) সম্বোধনসূচক অব্যয় (গ) অনুকার অব্যয় (ঘ) পদান্বয়ী অব্যয়।

7.  উপসর্গ বসে- (ক) শব্দের আগে (খ) বর্ণের আগে (গ) ধাতুর আগে (ঘ) পদের আগে।

8.  'লুঙ্গি' ও 'বাবা' শব্দ দুটি যে-ভাষার অন্তর্গত, তা হল- (ক) আরবি-ফারসি (খ) বর্মি-তুর্কি (গ) পেরু-ফরাসি (ঘ) মিশরীয়-স্পেনীয়

9. "আবার তোরা মানুষ হ”-এই বাক্যে 'মানুষ হ' হল- (ক) মৌলিক ধাতুর উদাহরণ (খ) প্রযোজক ধাতুর উদাহরণ (গ) বহুপদ বা সংযোগমূলক ধাতুর উদাহরণ (ঘ) নামধাতুর উদাহরণ

10. 'দুরাশা' শব্দটিতে উপসর্গ হল- (ক) দু (খ) দুর্ (গ) দুরা, (ঘ) দুঃ

11., যৌগিক ক্রিয়ায়- (ক) একটি মৌলিক ধাতু থাকে (খ) একটি প্রযোজক ধাতু থাকে (গ) একটি অসমাপিকা ক্রিয়া থাকে (ঘ) একটি ধ্বন্যাত্মক ধাতু থাকে

12.  'অপত্য বা পুত্র' অর্থে ব্যবহৃত প্রত্যয়টি হল- (ক) স্নিক (খ) স্নি (গ) স্বীয় (ঘ) স্নায়ন

13.  'মাস্টারি' শব্দটিতে যে-সংমিশ্রণ ঘটেছে তা হল- (ক) ইংরেজি + দেশি (খ) ইংরেজি + বিদেশি উপসর্গ (গ) ইংরেজি + তৎসম (ঘ) ইংরেজি + বাংলা প্রত্যয়

14. এদের মধ্যে কোনটি সম্বন্ধপদ? (ক) তাড়াতাড়ি শেষ করা (খ) নানা রঙের দিন (গ) পঁচিশে বৈশাখ (ঘ) ধীরে ধীরে চলো

15. দুটি অব্যয় পদ মিলে হয়- (ক) অনুকার অব্যয় (খ) সংযোজক অব্যয় (গ) প্রশ্নসূচক অব্যয় (ঘ) সাপেক্ষ শব্দজোড়

16.  বাক্যের কার্যবোধক পদ ও বাক্যের প্রধান অঙ্গ হল -- (ক) শব্দ (খ) বিভক্তি (গ) ধাতু (ঘ) ক্রিয়া

17.  নির্দেশক ভাব ব্যবহৃত হয়- (ক) অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালে (গ) অতীত ও বর্তমানকালে (খ) বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালে (ঘ) কোনোটিই নয়

18. অযোগবাহ ধ্বনির অপর নাম হল- (ক) বর্গীয় ধ্বনি (খ) নিরাশ্রয় ধ্বনি (গ) আশ্রয়ভাগী ধ্বনি (ঘ) সংযুক্ত ধ্বনি

19. বাক্য > বাইক-কোন্ জাতীয় ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ? -- (ক) ধ্বনিবিকার (খ) স্বরসংগতি (গ) অপিনিহিতি (ঘ) সমীভবন

20. সংযোগস্থাপনকারী সর্বনামের অপর নাম- (ক) পারস্পরিক (খ) আত্মবাচক (গ) সাপেক্ষ ঘ) যৌগিক

21. ঝমঝমে বৃষ্টি।- রেখাঙ্কিত পদটি কোন্ জাতীয় বিশেষণের উদাহরণ? (ক) একপদী বিশেষণ (খ) শব্দদ্বৈতাশ্রয়ী বিশেষণ (গ) বহুপদী বিশেষণ (ঘ) ধ্বন্যাত্মক বিশেষণ

22. দুটি বাক্যকে এক করে দেয়- (ক) পদান্বয়ী অব্যয় (খ) ধ্বন্যাত্মক অব্যয় গ) সাপেক্ষ শব্দজোড় ঘ) সমুচ্চয়ী অব্যয়

23. বাক্যে উহ্য করতে পারে যে-ক্রিয়াপদ তা- (ক) সমাপিকা (খ) অসমাপিকা (গ) সকর্মক (ঘ) অকর্মক

24.  'তৎসম' শব্দ বলতে বোঝায়- (ক) সমান সমান (খ) বাংলা ভাষার সমান (গ) সংস্কৃতের সমান (ঘ) বিদেশি ভাষার সমান

25. নীচের কোন্ ধ্বনিটি মৌলিক স্বর নয়? -- (ক) অ্যা (খ) আ (গ) ঈ (ঘ) উ

26. বাংলাভাষায় তাড়িত ব্যঞ্জন দুটি হল- (ক) ড়, ঢ় (খ) র, ল্ (গ) চ, ছ (ঘ) হ, ম্

27. দুঃ + অবস্থা = ? (ক) দুরাবস্থা (খ) দুর্বস্থা (গ) দুরবস্থা (ঘ) দুরিবস্থা

28. নীচের কোন্ শব্দটি আগন্তুক শব্দ? -- (ক) গিরি (খ) ইঁদারা (গ) সাঁঝ (ঘ) ঝাঁটা

29.  'চিংড়ি' শব্দের উৎস কী? -- (ক) দেশি (খ) তৎসম (গ) তদ্ভব (ঘ) বিদেশি

30.  'বেআইনি' শব্দে উপসর্গটি কোন্ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? -- (ক) মন্দ অর্থে (খ) নয় অর্থে (গ) পুরো অর্থে (ঘ) প্রত্যেক অর্থে

31.  'বিনয়' শব্দটি কোন্ ধরনের বিশেষ্য? -- (ক) সংজ্ঞাবাচক (খ) গুণবাচক (গ) ক্রিয়াবাচক (ঘ) শ্রেণিবাচক

32. মা শিশুটিকে চাঁদ দেখাচ্ছে-'দেখাচ্ছে' কোন্ ক্রিয়া? -- (ক) প্রযোজক ক্রিয়া (খ) সমাপিকা ক্রিয়া (গ) অসমাপিকা ক্রিয়া (ঘ) সংযোগমূলক ক্রিয়া

33. বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরের সংখ্যা- (ক) এক (খ) তিন (গ) দুই (ঘ) চার

34. 'র' ধ্বনিকে বলা হয়- (ক) তাড়িত ধ্বনি (খ) পার্শ্বিক ধ্বনি (গ) কম্পনজাত ধ্বনি (ঘ) নাসিক্য ধ্বনি

35'  বর্তমানে অপিনিহিতির ব্যবহার সীমাবদ্ধ আছে- (ক) পূর্ববঙ্গে (খ) উত্তরবঙ্গে (গ) পশ্চিমবঙ্গে (ঘ) দক্ষিণবঙ্গে

36. সন্ধিতে যে-মিলন হয়, তা- (ক) অর্থগত (খ) পরম্পরাগত (গ) ধ্বনিগত (ঘ) শব্দগত

37. বাংলা শব্দ ভান্ডারে 'মা' শব্দটি- (ক) তৎসম (খ) তদ্ভব (গ) অর্ধতৎসম (ঘ) দেশি

38. উনান > উনুন'-এখানে ধ্বনি পরিবর্তনের রীতিটি হল- (ক) অভিশ্রুতি (খ) স্বরভক্তি (গ) স্বরসংগতি (ঘ) অপিনিহিতি

39. 'অনুমত্যনুসারে' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হবে- (ক) অনু + মত্যনুসারে (খ) অনুমত + অনুসারে (গ) অনুমতি + অনুসারে (ঘ) অনুমত্য + অনুসারে

40. ং,  :  ধ্বনি দুটিকে বলে- (ক) মহাপ্রাণ ধ্বনি (খ) অল্পপ্রাণ ধ্বনি (গ) আশ্রয়ভাগী ধ্বনি (ঘ) যৌগিক ধ্বনি

41.  'বসে পড়'- এটি যে-ধরনের ধাতু সেটি হল- (ক) যুক্ত ধাতু (খ) যৌগিক ধাতু (গ) নামধাতু (ঘ) প্রয়োজক ধাতু

42. --  + সন্ + আ = জিঘাংসা। (শূন্যস্থান পূরণ করো) (ক) জিঘ (খ) হন্ (গ) জিঘং (ঘ) হাত

43.  'আত্মবাচক সর্বনামের' উদাহরণ হল- (ক) এই (খ) কেউ (গ) নিজে (ঘ) ওই

44. 'প্রত্যয়' শব্দটির অর্থ হল- (ক) বিশ্বাস (খ) অবিশ্বাস (গ) বিভাজন (ঘ) সংযোজন

45. "যেতে পারি কিন্তু যাব না।”- নিম্নরেখ শব্দটি- ক) আলংকারিক অব্যয় (খ) ব্যতিহারিক অব্যয় (গ) প্রশংসাসূচক অব্যয় (ঘ) সংযোজক অব্যয়

46. 'বরণীয় যারা স্মরণীয় তারা'- (ক) পদান্তরিত বিশেষণ (খ) বিশেষণের বিশেষণ (গ) ক্রিয়া বিশেষণ (ঘ) বিশেষ্যের বিশেষণ

47. 'বোধহয়' যে-শ্রেণির অব্যয়, তা হল- (ক) আলংকারিক (খ) সংশয়সূচক (গ) সমর্থনসূচক (ঘ) আবেগসূচক

48.  'দ্যুলোক' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ- (ক) দুঃ + লোক (খ) দিব+ লোক (গ) দ্যু + লোক ঘ) দিব + লোক

49.: বাংলা শব্দভাণ্ডারকে ক-টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে? (ক) দু-টি (খ) তিনটি (গ) চারটি (ঘ) পাঁচটি

50. একটি 'সম্বন্ধবাচক বিশেষণ' হল- (ক) আতরের গন্ধ (খ) পাঁচটা বই (গ) আচ্ছা সে দেখা যাবে (ঘ) বাইশে শ্রাবণ

52.  "দোলের দিন রাঙাইছে সবে সবারে"- কোন্ ধরনের ক্রিয়া প্রযুক্ত হয়েছে? (ক) মৌলিক ক্রিয়া (খ) সংয়োগমূলক ক্রিয়া (গ) প্রযোজক ক্রিয়া (ঘ) নামধাতুজ ক্রিয়া

53.  মর্দ > মরদ-একটি- (ক) স্বরসংগতি (খ) স্বরভক্তি (গ) সমীভবন (ঘ) অপিনিহিতির উদাহরণ

54. 'সাঁঝ' শব্দটি হল- (ক) তদ্ভব শব্দ (খ) তৎসম শব্দ (গ) বিদেশি শব্দ (ঘ) অর্ধতৎসম শব্দ

55. বাংলায় কোন্ শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয় না? ক) অব্যয় (খ) বিশেষ্য (গ) সর্বনাম (ঘ) ক্রিয়া

56. প্রত্যয়ের কাজ হল- (ক) নতুন ধাতু তৈরি করা (খ) নতুন শব্দ তৈরি করা (গ) নতুন পদ তৈরি করা (ঘ) নতুন ক্রিয়া তৈরি করা

57.  'বাগীশ্বরী' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয়- (ক) বাক্ + ঈশ্বরী (খ) বাগ্ + ঈশ্বরী (গ) বাগী + ঈশ্বরী (ঘ) কোনোটাই নয়

58. নীচের কোন ধ্বনিটি তরল স্বর- (ক) ট্ (খ) জ (গ) ত্ (ঘ) ল্

59. শরীর > শরীল কোন্ জাতীয় ধ্বনি পরিবর্তন? (ক) স্বরসংগতি (খ) সমীভবন (গ) বিষমীভবন (ঘ) ব্যঞ্জনসংগতি

60. দেশলাই' শব্দটি উৎসগত দিক থেকে- (ক) পোর্তুগিজ (খ) তৎসম (গ) দেশি (ঘ) তদ্ভব

61.  "সর্বজনীন দুর্গাপুজা বাঙালির জাতীয় উৎসব”- রেখাঙ্কিত পদটি- (ক) সর্বনামীয় বিশেষণ (খ) পদান্তরিত বিশেষণ (গ) কৃদন্ত বিশেষণ (ঘ) একপদী বিশেষণ

62.  "হয়তো সে কাজটি করিয়া থাকিবে”- কোন্ জাতীয় ক্রিয়ার কাল? (ক) ঘটমান অতীত (খ) সাধারণ ভবিষ্যৎ (গ) পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ (ঘ) নিত্যবৃত্ত অতীত

63.  "এখনই পড়তে বসো”- কোন্ জাতীয় ক্রিয়ার ভাব? (ক) সংযোজক (খ) অনুজ্ঞা (গ) নির্দেশক (ঘ) বিয়োজক

64.  "মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গলের খেলা হইবে"- নিম্নরেখ পদটি- (ক) সংযোজক অব্যয় (খ) সংকোচক অব্যয় (গ) বিয়োজক অব্যয় (ঘ) ব্যতিরেক অব্যয়

65.  "নদী আপন বেগে পাগল পারা"- নিম্নরেখ পদটি- (ক) আত্মবাচক সর্বনাম (খ) ব্যক্তিবাচক সর্বনাম (গ) নির্দেশক সর্বনাম (ঘ) ব্যতিহারিক সর্বনাম

1. সমীভবন কাকে বলে?

উ:- পাশাপাশি বা কাছাকাছি উচ্চারিত দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনের একটি অপরটির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে একই বা একই ধরনের ব্যঞ্জনে পরিণত হলে তাকে সমীভবন বা ব্যঞ্জন সংগতি বলে।

সমীভবনের অপর নাম সমীকরণ।

সমীভবনের উদাহরণ হল দুর্গা দুগ্গা, বড়দা বদ্দা, উৎসব উচ্ছব, ধর্ম ধম্ম, বৎসর বচ্ছর, পদ্ম পদ, মহাত্মা > মহাত্তা ইত্যাদি।

2. সমীভবন কয় প্রকার?

উ:- সমীভবন তিন প্রকার প্রগত সমীভবন, পরাগত সমীভবন ও অন্যোন্য সমীভবন।

3. পরাগত সমীভবনকাকে বলে?

উ:-পরাগত সমীভবন: যে সমীভবনে পরবর্তী ব্যঞ্জনের প্রভাবে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের পরিবর্তন ঘটে, তাকে পরাগত সমীভবন বলে। যেমন দুর্গা দুগ্ধা, কর্ম> কর্ম।

4. অন্যোন্য সমীভবনকাকে বলে?

উ:- অন্যোন্য সমীভবন: যে সমীভবনে পারস্পরিক প্রভাবে উভয় ব্যঞ্জনের পরিবর্তন ঘটে, তাকে অন্যোন্য সমীভবন বলে। যেমন: বৎসর বচ্ছর, উৎসব উচ্ছব।

5. প্রগত সমীভবনকাকে বলে?

উ:- প্রগত সমীভবন: যে সমীভবনে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের প্রভাবে পরবর্তী ব্যঞ্জনের পরিবর্তন ঘটে, তাকে বলে প্রগত সমীভবন। যেমন: পদ্ম পদ্দ।

6. সর্বনাম কী?

উ:-বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার করা হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। সব রকম নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় বলে এর নাম সর্বনাম। আমি, উদাহরণ: আমরা, তুমি, আপনি, আপনাকে, আপনার, ইহা, ইনি, উনি ইত্যাদি।

7. সাপেক্ষ সর্বনামকী?

যে সর্বনাম পদ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সংযোগ সাধন করে বা সঙ্গতি বিধান করে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে । যে-সে, সে, যিনি তিনি, যাহা তাহা।

৪. সমষ্টিবাচক সর্বনাম বা সাকল্যবাচক সর্বনাম কী?

যে সর্বনামের দ্বারা সমষ্টিবাচক ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবকে বোঝানো হয়, তাকে সমষ্টিবাচক সর্বনাম বা সাকল্যবাচক সর্বনাম বলে। উদাহরণ: সব, সর্ব, সকল, সবাই।

9. আত্মবাচক সর্বনাম কী?

এই সর্বনাম নিজস্ব বা আত্মভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ: স্বয়ং, নিজে নিজ খোদ, নিজে নিজে, আপনি।

10. অপিনিহিতি কথার অর্থ কী?

উ:-অপিনিহিতি কথার অর্থ হল পূর্বে স্থাপন। অপিনিহিতিতে ই বা উ স্বরকে পূর্বে স্থাপন করা হয়।

দেখিয়া > দেইখ্যা

11. প্রতিপাদিককী?

প্রতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নাম প্রকৃতি বা সাধিত শব্দ এবং বিভক্তিহীন তবে প্রত্যয়যুক্ত ক্রিয়ামূল বা ক্রিয়া প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়ের যোগে যে শব্দ ও ক্রিয়ামূল গঠিত হয় তার নাম প্রাতিপাদিক।

12. নাম - প্রাতিপাদিককী?

নাম - প্রাতিপাদিক বিভক্তহীন ও প্রত্যয়হীন কিংবা বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত নাম প্রকৃতিকে নাম প্রাতিপাদিক বলে । উদাহরণ: দোকান দার দোকানদার কে দোকানদারকে।

13. ক্রিয়া- প্রাতিপাদিককী?

ক্রিয়া - প্রাতিপাদিক বিভক্তহীন ও প্রত্যয়যুক্ত ধাতু প্রকৃতিকে ক্রিয়া প্রাতিপাদিক বলে। উদাহরণ কর অ করা+ কে করাকে।

14. অসম্পূর্ণ বা পঙ্গু ধাতুকী?

যে সব ক্রিয়াকে সব কালে ও ভাবে ব্যবহার করা চলে না তাদের বলা হয় অসম্পূর্ণ ক্রিয়া। যে সব ধাতু থেকে এ ধরনের ক্রিয়া হয় তাকে বলেঅসম্পূর্ণ বা পঙ্গু ধাতু। যেমন- দেখ।

15. মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতুকাকে বলে?

যেসকল ধাতুকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না তাদের মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু বলে। উদাহরণ: কর, চল, দেখ, খেল, পড.খা।

16. সাধিত ধাতুকাকে বলে?

মৌলিক ধাতু কিংবা নাম শব্দের সাথে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে সাধিত ধাতু বলে। উদাহরণ কর আকরা, দেখ আদেখা, পড়া পড়া.

17. সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতুকাকে বলে?

মৌলিক ধাতু যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠন করে তাকে সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু বলে। উদাহরণ। পূজা কর্, রাজি হ. কষ্ট পা, শাস্তি দে।

18. অব্যয়কী?

বাক্যে বা শব্দের সাথে ব্যবহৃত যে সকল ধ্বনি বিভক্তি, বচন, লিঙ্গ ও কারকভেদে কোনোভাবে পরিবর্তন হয় না. সেসকল পদকে অব্যয় বলে।

উদাহরণ: কর আকরা, দেখ আদেখা, পড় আ পড়া।

19. হেতুবাচক অব্যয় কী?

হেতুবাচক অব্যয়: যে অব্যয় হেতু বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাকে হেতুবাচক অব্যয় বলে। যেমন- কারণ, বলে, কেননা এই জন্য, যেহেতু, এই হেতু ইত্যাদি।

20. সংশয়সূচক অব্যয়কী?

সংশয়সূচক অব্যয়: যে অব্যয় সংশয় বা সন্দেহ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাকে সংশয়সূচক অব্যয় বলে। যেমন- বুঝি, নাকি, হয়তো, তাই নাকি, ইত্যাদি।

21. সিদ্ধান্তবাচক অব্যয়কী?

সিদ্ধান্তবাচক অব্যয় যে অব্যয় সিদ্ধান্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাকে সিদ্ধান্তবাচক অব্যয় বলে। যেমন- সুতরাং, বোধহয়, তাই, কাজেই, অতএব।

22. সাপেক্ষ অব্যয়কী?

সাপেক্ষ অব্যয়: যে সকল অব্যয় পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত অর্থাৎ একটিকে ব্যবহার করলে আর একটিকে ব্যবহার করতেই হয় তাকে নিত্যসম্বধী অব্যয় বলে। যেমন- যেমন- তেমন, যত তত, যখন-তখন, ইত্যাদি।

23. আবেগসূচক অব্যয় পদকী?

যে শব্দগুলি দিয়ে মনের আনন্দ, বেদনা, ক্রোধ, ঘৃণা, বিস্ময়, লজ্জা, সম্মতি, ইত্যাদি মনের নানারকম ভাব বা আবেগ প্রকাশ করা হয় তাদেরই আবেগসূচক অব্যয়পদ বলে। যেমন ওরে বাবা, এঃ দূর ছাই, কী জ্বালা, হিন, হায় হায়, আ মরি। শাবাশ। শাবাশ।

24. সংকোচক অব্যয়কী?

সংকোচক অব্যয়: যে অব্যয় বাক্যের অর্থকে সংকুচিত করে অর্থাৎ কাঙিক্ষত ফলের বিপরীত ফল প্রকাশ করে তাকে সংকোচক অব্যয় বলে। যেমন- কিন্তু, পরন্তু, বরং, বরঞ্চ, তথাপি, অথচ ইত্যাদি।

25. পদান্বয়ী অব্যয় কী?

যে অব্যয় বাক্য মধ্যস্থ একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের অন্বয় বা সম্বন্ধ স্থাপন করে, তাকে পদান্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন- হইতে, থেকে, চেয়ে, নিমিত্ত, বিনা, ব্যতীত, অবধি, সঙ্গে, দ্বারা ইত্যাদি।

26. বিভক্তি ও অনুসর্গের পার্থক্য আলোচনা কর।

পার্থক্যগুলি হল--

১) অনুসর্গের স্বাধীন অর্থ ও স্বাধীন ব্যবহার আছে, বিভক্তির স্বাধীন অর্থ ও স্বাধীন ব্যবহার নেই।

২) বিভক্তি পদের সঙ্গে যুক্ত অবস্থায় থাকে। অনুসর্গ পদের পরে আলাদা ভাবে বসে।

৩) বিভক্তি কোনো পদ নয়। অনুসর্গ নিজে এক ধরনের অব্যয় পদ।

27. বিভক্তি ও নির্দেশকের পার্থক্য আলোচনা কর।

বিভক্তি ও নির্দেশকের মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য আছে ১) বিভক্তি কারক বা সম্বন্ধ নির্দেশ করে। নির্দেশক শব্দের পরে যুক্ত হয়ে বচন নির্দেশ করে।

২) নির্দেশকের পর বিভক্তি যুক্ত হতে পারে। বিভক্তির পর নির্দেশক যুক্ত হতে পারে না।

৩) শব্দে বিভক্তিযুক্ত হলেই উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয় কিন্তু নির্দেশক যুক্ত হলেও অনেক সময় বিভক্তি যোগ করার প্রয়োজন হয়

28. প্রত্যয়কী?

যেসব ধ্বনি, শব্দ বা ধাতুর শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা ধাতু গঠন করে সেইসব ধ্বনিকে প্রত্যয় বলে। যেমন- চল অন্ত চলন্ত: জমিদার জমিদার। এখানে অন্ত' ও দার' দুটি প্রত্যয়।

29. কৃৎ প্রত্যয়কী?

ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে বলা হয় কৃৎ প্রত্যয়, এবং কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃদন্ত শব্দ বলে। যেমন গম (ধাতু) অন (প্রত্যয়) গমন (কৃদন্ত শব্দ)

30.. তদ্ধিত প্রত্যয়কাকে বলে?

শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে বলা হয় তদ্ধিত প্রত্যয়, এবং তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে-শব্দ গঠিত হয় তাকে তদ্ধিতান্ত শব্দ বলে। যেমন রঘু (শব্দ) অ (তদ্ধিত প্রত্যয়। রাখব তদ্ধিতান্ত শব্দ।

31. উপসর্গ ও অনুসর্গের পার্থক্য লেখ?

উপসর্গশব্দের আগে বসে কিন্তু অনুসর্গ শব্দের পরে বসে।

32. বিশেষণকী:

যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে। যেমন: ভালো, মন্দ।

THE QUARRELLING CATS AND THE MONKEY

Once two hungry cats found a piece of bread. But each of them tried to grab the whole of the bread and they began to fight with each other. At that time a monkey arrived at the spot and saw the quarrelling cats. He decided to settle the dispute. He took the piece of bread and broke it into two pieces. But the broken pieces were uneven in size and one piece was bigger than the other. So to make each share equal the monkey ate a portion from the larger piece. But he took a bite bigger than necessary and as a result the remaining piece became bigger. Then he took a bite from it to make it equal in size. In this way the monkey ultimately ate both the pieces while the two foolish cats continued to quarrel with each other.

No comments:

Post a Comment