Search This Blog

Showing posts with label Jiboner katha. Show all posts
Showing posts with label Jiboner katha. Show all posts

Saturday, March 21, 2026

VV

VV

 ●●● " যে যাই বলুক আপনার গেয়ে চলে যাও, দুনিয়া তোমার পায়ের তলায় আসবে, ভাবনা নেই। "

●●● " হে বীর, নিজের উপর বিশ্বাস রাখো, কাজ করে যাও, বাক্য দ্বারা নয়, কাজ দ্বারা প্রমান করো, যে তুমি সেরা।।"

●●● অসম্ভবকে সম্ভব করাই তো তোমার কাজ, কাজকে নির্ভুল, সুক্ষ ও উৎকৃষ্ট করো, এমনভাবে কাজ করো যা কেবলমাত্র তুমি পারো। "

●●● " I am not number 1 or number 2 Because I am the super one, the best one. "

●●● My assets - Hand, Head & Heart.

●●● " Telling is not my style, working is my style. "

●●● Dreaming (positively) > preparing(properly) > Working (differently).

●●● আমি নীতিতে কঠোর কিন্তু আচরনে নয়। "

●●● Mother is mother , Sister is sister , students are students ." 

●●● Say what is correct accorect to the position .

●●● All is not for you and you are not for all. All persons are not same mentality , so do what is best according to your role. " 

Wednesday, February 4, 2026

Banaful

 ☘️| *অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি গরু'র রচনা |☘️* 


একদিন আই এস সি পড়ার ক্লাসে এলেন বাংলার অধ্যাপক চারুচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। অফ পিরীয়ড। এসেই বললেন রচনা লেখো। যদিও সেই ক্লাসের সবার পাঠ্য বিষয় ছিল অঙ্ক, রসায়ন ও উদ্ভিদবিদ্যা।


ছাত্রদের প্রশ্ন, ‘ কি লিখব স্যার? ’


স্যার বললেন, “ গরুর রচনা লেখো ”।


শুনেই সবার মাথায় হাত। স্যার বলছেন কী ? এই উচু ক্লাসে, বুড়ো বয়সে গরু রচনা! কেউ কেউ মুখ টিপে হাসতেও লাগলো।


হাসলো না শুধু একটি ছাত্র। সে বললো, “স্যার, রচনা মানে গদ্য হতে হবে এমন মানে আছে কি ?”


স্যার বললেন, “সেরকম তো কথা নেই।”


খানিক বাদে ছাত্রটি হাজির করল তার লেখা। ক্লাসে বসে বাকিরা তখনও ভাবছে স্যার বুঝি তাদের সাথে ঠাট্টা তামাশা করছেন।


হঠাৎ স্যার বললেন, “ শোনো শোনো, কী লিখেছে তোমাদের বন্ধু...”


“ মানুষ তোমায় বেজায় খাটায় 

টানায় তোমায় লাঙ্গল গাড়ি,

একটু যদি দোষ করেছ

অমনি পড়ে লাঠির বাড়ি।

আপন জিনিস বলতে তোমার

নেই কিছু এই বিশ্বেতে,

তোমার বাঁটের দুধটুকু তা-ও

বাছুর তোমার পায়না খেতে।

মানুষ তোমার মাংস খাবে,

অস্থি দেবে জমির সারে,

চামড়া দিয়ে পরবে জুতো বারণ কে তায় করতে পারে?

তোমার পরেই এই অত্যাচার হে মর্তের কল্পতরু।

কারণ ? নহ সিংহ কি বাঘ,

কারন তুমি নেহাৎ গরু...। ”🩷🌻


স্যার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিলেন, “ অনেক বড় হও বাবা।”


বড় হয়েও ছিল সেই ছেলেটা ডাক্তার হয়েছিল.. হয়েছিলো বড়ো সাহিত্যিকও। বাংলা ছোটগল্পের প্রানপুরুষ ‘ডা: বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়’ ওরফে ‘বনফুল’।


বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ‘ গরুর ’ রচনাগুলোর মধ্যে আজও অবস্থান করছে এই রচনাটি.. আজ তাঁর জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি..🌷

Madhusudhan

 একদিন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রহস্য করে মাইকেল মধূসুদন দত্তকে বললেন, "মাইকেল, তুমি কি ইংরেজি বর্ণমালার E অক্ষরকে বাদ দিয়ে একটি কমপ্লিট প্যারাগ্রাফ লিখতে পারবে?"

মধূসুদন একটুও দেরি না করে বললেন, "I doubt I can. It’s a major part of many many words. Omitting it is as hard as making muffins without flour. It’s as hard as spitting without saliva, napping without a pillow, driving a train without tracks, sailing to Russia without a boat, washing your hands without soap. And, anyway, what would I gain? An award? A cash bonus? Bragging rights? Why should I strain my brain? It’s not worth doing."

(আমি পারব কিনা তা নিয়ে আমি সন্দিহান। এটি বেশিরভাগ শব্দের মূল অংশ। এই কাজ ময়দা ছাড়া পিঠা বানানোর মতোই কঠিন। ঠিক যেমনটা কঠিন লালা ছাড়া থু থু ফেলা, বালিশ ছাড়া ঘুমানো, রেললাইন ছাড়া ট্রেন চালানো, নৌকা ছাড়া রাশিয়া যাত্রা করা এবং সাবান ছাড়া হাত ধোয়া। যাই হোক, কাজটি করতে পারলে আমি কি পাব? কোনো পুরষ্কার? টাকা-পয়সা? কোনো অধিকার? তাহলে মস্তিষ্ককে অযথা কেন এতটা চাপ দেব? এটা কোনো কাজের কাজ নয়।)

খেয়াল করুন, দীর্ঘ অনুচ্ছেদের কোথাও E বর্ণের উপস্থিতি নেই।

Sunday, May 25, 2025

বয়েই গেল

 কে কী বলল বয়েই গেল 

এটা পারবি ওটা না! 

তোরা আমায় বলবি কিরে 

তোদের হিসাবে চলি না।

আমার মনে আমি রাজা 

মুখে আমি বলি না 

সময় মতো জবাব দেই 

আত্মবিশ্বাস ভুলি না।।


চাই না

 চাই না 

আমি চাই না আমাকে কেউ জানুক 

আমার কাজকে আমার নামে চিনুক।

পারিশ্রমিক আমার প্রাপ্য যত 

নিব আমি হিসেব মতো 

এর বাইরে প্রশংসা ও কু প্রশংসা 

আমার জানার দরকার নেই 

আমি শুধু কাজ করি ফলের পরে আমি নেই।


ব্যাক্তিগত সম্পর্ক ব্যাক্তিগত 

বাকি সম্পর্ক তাদের মতো 

যথা স্থানে মানান সই। 

কে কী বলল জানতে  চাই না 

লিমিটের বাইরে কখনোই যাই না।।

মনের নৌকা বয়ে চলো 

তাতে কেবা এল কেবা গেল।।





যেমন- তেমন

 যেমন- তেমন 
কিছু মানুষ আছে এমন 
ব্যবহারটা কেমন কেমন 
কথায় তুমি পারবে না 
ওদের এবার বুঝতে দাও 
তুমিও কিছু কম না।।
যারা তোমায় নিয়ে করবে মজা 
তাদের দেবে উচিত সাজা
একটু ভাবো আর তৎক্ষণাৎ
মুখে হাসি নিয়ে তাদের 
পিছনে দাও আস্ত খোচা।।
যারা তোমায় করবে প্রশ্ন 
যদি হন গুরু জন 
তাদের উত্তর দিতে পরো 
না পারলে জেনে নাও। 
এখানে কোন লজ্জা নেই।
কিন্তু যদি করে মজা 
প্রশ্ন তারা করেই বসে 
পরীক্ষাটা নিও তাদের 
মুখোস টা দিও খসে।
আজগুবি এক উত্তর দাও 
সঠিকটা তাদের বলতে দাও।
আর নয়তো প্রশ্নের বদলে 
পাল্টা প্রশ্ন করো তাদের।।
কেউ যদি তোমায় কোন কাজে 
আগ্রহী হয় সাথে নিতে 
প্রথমে ভাবো নিজের কথা 
উচিত হলে রাজি হও
নইলে মুখের উপর জবাব দাও।। 
যারা তোমায় মিষ্টি মুখে 
ছুরির মতো বলবে কথা 
মিষ্টি মুখে জানিয়ে দাও 
কতটা ওদের যোগ্যতা।
যোগ্য যেমন পাবে তেমন 
তোমার কোথায় দোষ তাতে?


বেশি বেশি ভালো না

 
বেশি, বেশি ভালো না 


সাধ্য বুঝে চলতে শেখ 
বেশি বেশি ভালো না 
তোমার কর্ম তুমি করো 
অন্যকেও করতে দাও
একা তুমি একশো না 
বেশি বেশি ভালো না।


নিজের জন্য করো কিছু 
নিজের কাজে থেমো না 
অন্যর জন্য করা ভালো 
তবে সবাই কিন্তু চায় না 
তারাই করবে ছলনা 
বেশি বেশি ভালো না।।


দ্বায়িত্ব যতোটা করো ততটা 
অতিরিক্ত করো না 
তার বেশি লায় দিও না 
মাথায় চড়ে নাচবে তারা 
যাদের জন্য নিজের কথা ভাবলে না 
বেশি বেশি ভালো না।।


অতিরিক্ত সুবিধা দিয়েও 
ভালো তুমি থাকবে না 
সুযোগ বুঝে পড়বে কেটে 
তখন তুমি কেউই না 
এটাই বাস্তব কথা জানবে 
বেশি বেশি ভালো না।।


হ্যা নিজের জন্য যতো পারো 
খাটতে থাকো আরো আরো 
কেননা নিজের কাছে ঠকবে না 
অন্যরেও বুঝতে দাও 
তুমি অত সস্তা না 
কেননা বেশি কখনোই ভালো না।।

গোপন কথাটি

গোপন কথাটি 
গোপন কথাটি রাখিও গোপনে 
কেউ যেন তা জানে না স্বপ্নে 
আমার কথা আমার দাস 
আমার তরে বসবাস 
অন্যরা তা জানবে কেন?
দশ কানে তা শুনবে কেন? 
সুযোগ বুঝে হানবে আঘাত
আমার কথাই আমার উপর 
এমন আমি পারব না।।

বিশ্বাস করে বলবে কেউ 
তার জীবনের গোপনটি
আমি কী হব বিশ্বাস ঘাতক 
দশকানে তা করব মাটি 
আর যা হব হতে পারি 
বিশ্বাস ঘাতক হব না।
কথা হবে আমার দাস 
আমার ভিতর হবে বাস।।