Search This Blog

Monday, December 29, 2025

HAWK ROOSTING

 VIVEKANANDA COACHING CENTRE

CLASS:- Xii; SUB:- ENGLISH(B)

TUTOR:- SWAPAN KUMAR RAY(M.A, B. ED)

VERSE :- HAWK ROOSTING.

1.  Answer the following questions :- (Marks-6)

a) '' I sit in the top of the wood, my eyes closed. Inaction,  no falsifying dream'' --- Who is referred to here as I ? Why are the eyes closed ? Why is the dream called no falsifying ?

Or,   '' The convenience of the high trees'' --- Who is the speaker ? Why are the high trees convenience to the speaker ?

Or,  '' Are of advantage to me '' --- Who is the speaker here ? What are the advantages provided by nature that the hawk enjoyes ?

Or,     ''I hold creation in my foot '' Expalin the quoted line. 

Or,    '' It took whole creation / To produce my foot'' --- Who is the speaker here ? What does the Hawk mean by saying that ' the whole of creation ' produced it ? (WBCHSE)

Or,  Comment on the physical features and prowess of the hawk ? Discuss the significance. (WBCHSE)

Or, What role does nature play in Hawk Roosting ? 

Ans:-  In the poem Hawk Roosting here 'I' refer to the Hawk. 

Ted Hughes ' Hawk Roosting'  is a popular  dramatic monologue.  The poem is written from the perspective of a hawk. Physically the hawk is a powerful bird, its job is to find out and kill its prey. The hawk sits on a high branch in the forest with its eyes closed. Although it appears to be sleeping, the hawk is actually rehearsing for its next prey. Its clawed feet help it to stay on the branch. 

The hawk enjoys many advantages for sitting on the high branches of the tree. The air's buoyancy  and the sunlight help it to find its prey on the ground. It seems as if the whole world is looking at the hawk. Nature is helping it in its hunting. The hawk's curved legs,  its feathers, are created from a combination of nature's materials. And now those sharp claws and feathers play major role in its hunting. Now it holds the entire creation in its feet.


b) '' The allotment of death.'' --- Who is the responsible for the allotment of death? What picture of the speaker is exposed through this line ?

Or,  '' No argumments assert my right / the sun is behind me.'' --- How can these lines be interpreted as a metaphor of directorship or absolute authority ? (WBCHSE)

Or,  '' Nothing has changed since I began. / my eye has permitted no change '' --- Who is referred to here as I ? What has not changed and why ?

Or,  '' I am going to keep things like this '' --- Who is I referred to here ? What things are here referred to here ? What arguments does he present in support of his promise ?

Or,  '' There is no sophistry in my body'' --- Who is the speaker here ? What does Sophistry mean and for what purpose it is use ? What does the hawk suggest about himself by this line ? 

Or,  '' I kill where I please bacause it is all mine '' --- Who is I referred to here ? What does this line signify ? 


Ans:-  In the poem Hawk Roosting here 'I' refer to the Hawk. 

 Ted Hughes ' Hawk Roosting'  is a popular  dramatic monologue.  The poem is written from the perspective of a hawk. Physically the hawk is a powerful bird, its job is to find out and kill its prey.  As it circles high in the sky, the hawk watches its prey. Hawk's  only job is to tearing of heads of its prey. The hawk can hunt wherever it wants because it rules over all creation. 

According to the hawk, nature has assigned him the right to kill his share and allotment of death.  There is no sophistry in its body. The hawk's sole purpose in existence is to kill and eat other animals. Therefore, no argument can be made against its right. The sun rises at the morning and sets at the end of the day, but the rights of the hawk of allotment of death never changes. The sppremacy  and cruelty of the Hawk is beautifully presented in the poem.



Friday, December 5, 2025

Important links at a galance

 1. WB School Service  Click here


2. WB College Service Click here


3. WB Madrasa Service Click here


4. WB Public Service Click Here


5. Staff Selection Commission Click here


6. Railway Board RRB WEBSITE


7. WBCHSE Click Here


8. WBBSE Click Here


9. Utkarsha Bangla Click Here


10. Cooch Behar Click Here

Tuesday, November 25, 2025

Ix final

 VIVEKANANDA COACHING CENTRE 

CLASS:- IX


GEOGRAPHY

1.পুঞ্জিত ক্ষয়কে ক্ষয়ীভবন বলা যায় না কেন? 

উ:-  পুঞ্জিত ক্ষয়কে ক্ষয়ীভবন বলা যায় না কারণ পুঞ্জিত ক্ষয় একটি স্থানান্তর প্রক্রিয়া যেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে শিলা  ঢাল বরাবর স্থানান্তরিত হয়, কিন্তু ক্ষয়ীভবন হলো স্থানান্তর ও অপসারণ—অর্থাৎ শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে অন্য কোথাও স্থানান্তরিত হয় এবং নতুন ভূমিরূপ তৈরি করে। ক্ষয়ীভবনের মূল কাজ হলো অপসারণ, যেখানে পুঞ্জিত ক্ষয় মূলত মাধ্যাকর্ষণজনিত  স্থানান্তর প্রক্রিয়া। কারন - 

1.  ক্ষয়ীভবন হল একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া, যা শিলা বা মাটিকে বহন করে এবং অপসারণ করে। অন্যদিকে, পুঞ্জিত ক্ষয় বিশেষভাবে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ঢাল বরাবর পদার্থের স্থানান্তরকে বোঝায়।

2. ক্ষয়ীভবনের মধ্যে বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি যেমন জল, বাতাস ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে। পুঞ্জিত ক্ষয় একটি নির্দিষ্ট ঘটনা, যেখানে আবহবিকারের ফলে আলগা হয়ে যাওয়া পদার্থ মাধ্যাকর্ষণের টানে নেমে আসে।

2. ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্রের বৈশিষ্ট্য লেখ। 

উ:- ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি নির্দিষ্ট স্কেলে আঁকা হয় এবং এতে ভূ-প্রকৃতি, ভূমিরূপ, জলধারা, স্বাভাবিক উদ্ভিদ, এবং সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য (যেমন - রাস্তা, বসতি) বিস্তারিতভাবে দেখানো হয়।

● ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্রের বৈশিষ্ট্য:- 

1. নির্দিষ্ট স্কেল: এই মানচিত্রগুলি একটি নির্দিষ্ট স্কেল অনুযায়ী তৈরি করা হয়।

2. ভূ-প্রকৃতি ও ভূমিরূপ: এতে পাহাড়, উপত্যকা, সমভূমি ইত্যাদি ভূমিরূপের চিত্র থাকে।

3. অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ: প্রতিটি মানচিত্রে অক্ষাংশগত এবং দ্রাঘিমাংশগত বিস্তার সুনির্দিষ্টভাবে দেওয়া থাকে।

4. মানচিত্র নম্বর: প্রতিটি মানচিত্রের উপরের ডানদিকে একটি নির্দিষ্ট নম্বর থাকে।

3. হিমালয় অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ কেন ? 

উ:- হিমালয় অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ কারণ এটি ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান  প্লেটের সীমানায় অবস্থিত, যেখানে এই দুটি প্লেটের মধ্যে অবিরাম সংঘর্ষ হচ্ছে। এই সংঘর্ষের ফলে ভূত্বকে চাপ সৃষ্টি হয়, যা শেষ পর্যন্ত ভূমিকম্পের আকারে নির্গত হয়।

●  হিমালয় অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ার কারণ:- 

1. ভূত্বকে চাপ সৃষ্টি: এই সংঘর্ষের ফলে ভূত্বকে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়, যা টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার কারণ।

2. ভূমিকম্পের সৃষ্টি: এই চাপ যখন কোনো এক সময় মুক্তি পায়, তখন ভূত্বকে কম্পন সৃষ্টি হয়, যা আমরা ভূমিকম্প হিসেবে অনুভব করি।

3. শিলার উত্থান: প্লেটের সঞ্চালনের ফলে এখানে ভাঁজযুক্ত পাললিক শিলাগুলির ক্রমাগত উত্থান ঘটে, যা ভূমিকম্পের একটি অন্যতম কারণ।

4. নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি কেন ? 

উ:- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি কারণ এই রেখা বরাবর পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি। যেহেতু পৃথিবীর সব অংশ একই সময়ে (প্রায় ২৪ ঘণ্টায়) একবার ঘোরে, তাই যে অংশের পরিধি সবচেয়ে বড়, সেই অংশকে সেই সময়ে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। এই কারণে নিরক্ষরেখার আবর্তন বেগ সর্বোচ্চ, যা মেরু অঞ্চলে প্রায় শূন্যের কাছাকাছি চলে আসে । 

1. বৃহত্তম পরিধি: নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি। 

2. সমান আবর্তন সময়: পৃথিবীর সব অঞ্চল ২৪ ঘণ্টায় একবার আবর্তন করে। 

3. সুষম গতি: নিরক্ষরেখার মতো বড় পরিধিকে কম সময়ে অতিক্রম করতে হলে বেগও বেশি হতে হয়। 

5.বিপর্যয় মোকাবিলায় শিক্ষার্থীর ভূমিকা লেখ । 

উ:- বিপর্যয় মোকাবিলায় শিক্ষার্থীর ভূমিকা :- 

1.  বিপর্যয় মোকাবিলায় শিক্ষার্থীরা দুর্যোগ প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি, এবং জরুরি পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। 

2. তারা নিজেদের এবং অন্যদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে, যেমন প্রাথমিক চিকিৎসা এবং আপৎকালীন মহড়ায় অংশগ্রহণ করা।

3.  এছাড়াও, তারা দুর্যোগের আগে ও পরে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে এবং তাদের মধ্যে সহানুভূতির মানসিকতা তৈরি করতে পারে। 

4.  পাঠ্যক্রমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিপর্যয় সম্পর্কে জানতে পারে।

5.  অন্যদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং জরুরি অবস্থার জন্য প্রস্তুত থাকতে সাহায্য করতে পারে।

6. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র ও ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্রের পার্থক্য লেখ ।

বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র

ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র


এই মানচিত্র ছোট অঞ্চল, যেমন একটি শহর, একটি গ্রাম বা একটি নির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিত করে। 

এই মানচিত্র বৃহৎ এলাকা, যেমন দেশ, মহাদেশ বা সমগ্র বিশ্ব চিহ্নিত করে। 


অনেক বিস্তারিত তথ্য থাকে।

 কম বিস্তারিত তথ্য থাকে।


উদাহরণ: মৌজা মানচিত্র, শহরের পরিকল্পনা, নৌচলাচলের চার্ট এবং ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র।

উদাহরণ: দেয়াল মানচিত্র, অ্যাটলাস বা বিশ্ব মানচিত্র।


স্থানীয় পরিকল্পনা, জরিপ এবং বিশদ ভৌগোলিক বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

 একটি বৃহৎ অঞ্চলের সামগ্রিক চিত্র প্রদান করে।


7. বিবৃতিমূলক স্কেল ও ভগ্নাংশ সূচক স্কেলের পার্থক্য লেখ।

বিবৃতিমূলক স্কেল

ভগ্নাংশ সূচক স্কেল


এই স্কেল কথায় বা ভাষায় প্রকাশ করা হয়, যেমন: "১ সেমি = ১ কিমি"।

এই স্কেল সংখ্যাসূচক অনুপাতে প্রকাশ করা হয়, যেমন: 1: 100000।


মানচিত্র ও ভূমির দূরত্বে একক (সেমি, ইঞ্চি ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয়, যা বিভিন্ন এককে রূপান্তরিত হতে পারে।

মানচিত্র ও ভূমি উভয় ক্ষেত্রেই একই একক ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি একটি অনুপাত।


সহজবোধ্য এবং সরাসরি দূরত্ব পরিমাপ করা যায়।

এটি একটি সর্বজনীন অনুপাত, যা মানচিত্রের আকার পরিবর্তন হলেও একই থাকে।


মানচিত্র ছোট বা বড় করলে স্কেলের পরিবর্তন হয় না।

সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়ার কারণে এটি সহজে বোঝা যায় না এবং রূপান্তর করাও কঠিন হতে পারে।


8. গ্লোব ও মানচিত্রের পার্থক্য লেখ। 

গ্লোব

মানচিত্র


গ্লোব হল পৃথিবীর ত্রিমাত্রিক (3D) উপস্থাপনা। 

মানচিত্র হল পৃথিবীর দ্বি মাত্রিক (3D) উপস্থাপনা।


গ্লোব পৃথিবীর সঠিক আকার ও আকৃতি দেখায়। 

পৃথিবীর আকার ও আকৃতি বিকৃত করতে পারে।


পৃথিবীর সামগ্রিক গঠন, অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, ঘূর্ণন এবং মহাদেশ ও মহাসাগরের অবস্থান বুঝতে সাহায্য করে। 

দিকনির্দেশ, নির্দিষ্ট স্থান খুঁজে বের করা এবং একটি এলাকার বিস্তারিত তথ্য জানতে সাহায্য করে।


গ্লোব বহন করা কঠিন।

মানচিত্র বহন করা সহজ।


HISTORY

1. টীকা লেখো : রুশ - জার্মান অনাক্রমণ চুক্তি 

Ans:- জার্মানির শাসক হিটলার এবং রাশিয়ার  শাসক স্ট্যালিনের মধ্যে 1939 খ্রিস্টাব্দে  রুশ-জার্মান অনাক্রমন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

a) জার্মানির উদ্দেশ্য :হিটলার উপলব্ধি করেন যে  পোল্যান্ড আক্রমণ করতে গিয়ে একই সঙ্গে পূর্ব সীমান্তে রাশিয়া এবং পশ্চিম সীমান্তে ইঙ্গ ফরাসি শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হতে পারে। তাই  হিটলার আপতত রাশিয়ার সঙ্গে মিত্রতা স্থাপনের দ্বারা পূর্ব সীমান্তে যুদ্ধের সম্ভাবনা দুর করেন । যাতে তিনি  পোল্যান্ড আক্রমন করতে পারেন।

b) রাশিয়ার উদ্দেশ্য : সাম্যবাদ - বিরোধী ইঙ্গ - ফরাসি শক্তির সঙ্গে জোট গঠনে ব্যর্থ হয়ে রাশিয়া নিজের নিরাপত্তার প্রয়োজনে জার্মানির সঙ্গে মিত্রতা স্থাপনে আগ্রহী হয় ।

c) চুক্তি স্বাক্ষর : রাশিয়া ও জার্মানির মধ্যে ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে ( ২৩ আগস্ট ) রুশ - জার্মান অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় । এই চুক্তি স্বাক্ষরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মলোটভ এবং জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিবেনট্রপ । 

d) চুক্তির শর্তাবলি : রুশ - জার্মান অনাক্রমণ চুক্তির দ্বারা স্থির হয় যে , রাশিয়া ও জার্মানি — [ 1 ] শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিজেদের মধ্যে বিবাদের মীমাংসা করবে । [ 2 ] পরবর্তী ১০ বছর একে অপরকে আক্রমণ করবে না । [ 3 ] তৃতীয় কোনো শক্তির দ্বারা আক্রান্ত হলে কেউ তৃতীয় পক্ষকে সহায়তা করবে না । [ 4 ] পোল্যান্ডকে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেবে । 

e)  চুক্তিভঙ্গ : রাশিয়ার সঙ্গে অনাক্রমণ চুক্তি সত্ত্বেও হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চুক্তি ভঙ্গ করে ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে ( ২২ জুন ) রাশিয়া আক্রমণ করেন ।

2)   রোম বার্লিন - টোকিও অক্ষচুক্তি কী? 

Ans:- দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে যেসব উগ্র সাম্রাজ্যবাদী একনায়কের আবির্ভাব ঘটে তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ইটালির মুসোলিনি , জার্মানির হিটলার এবং জাপানের তোজো । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ইটালি , জার্মানি ও জাপানের মধ্যে ‘ রোম- বার্লিন - টোকিও অক্ষচুক্তি ' নামে এক মৈত্রীজোট গড়ে ওঠে ।

a) ঘনিষ্টতার উদ্যোগ : জার্মান শক্তিবৃদ্ধিতে আতঙ্কিত হয়ে ইটালির শাসক মুসোলিনি ফ্রান্সের সঙ্গে মিত্রতা গড়ে তোলেন । কিন্তু হিটলার উপলব্ধি করেন যে , জার্মানি ভবিষ্যতে অস্ট্রিয়া দখলের উদ্যোগ নিলে ইটালির সমর্থন তাঁর বিশেষ প্রয়োজন ।মুসোলিনি ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে অ্যাবিসিনিয়া আক্রমণ করলে হিটলার তাঁকে সমর্থন করেন । ফলে মুসোলিনি ও হিটলারের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায় । 

b) রোম - বার্লিন অক্ষচুক্তি : মুসোলিনি ও হিটলারের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেলে উভয়ের মধ্যে মিত্রতা ( অক্টোবর , ১৯৩৬ খ্রি . ) গড়ে ওঠে । ইটালি ও জার্মানির মধ্যে স্থাপিত এই মিত্রতা ' রোম - বার্লিন অক্ষ্যচুক্তি ' নামে পরিচিত। ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বরে জার্মানি ও জাপানের মধ্যে সাম্যবাদ - বিরোধী অ্যান্টি কমিষ্টার্ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় । 

c)  রোম - বার্লিন - টোকিও অক্ষচুক্তি:- জার্মানি ও জাপানের অ্যান্টি কমিন্টার্ন জোটে ইটালি যোগ ( ৬ নভেম্বর , ১৯৩৭ ( . ) দিলে ইটালি , জার্মানি ও জাপানের মধ্যে রোম বার্লিন - টোকিও অক্ষচুক্তি মৈত্রীজোট গড়ে ওঠে ।

3) পার্ল হারবারের ঘটনা কী?

উ:- পার্ল হারবার হল প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপে অবস্থিত একটি বন্দর । এখানে আমেরিকা তার নৌঘাঁটি স্থাপন করেছিল । 

a) আমেরিকার উদ্যোগ : জাপানের আগ্রাসী নীতির ফলে আমেরিকা— [ 1 ] জাপানের সঙ্গে পুরোনো বাণিজ্যিক চুক্তিটি বাতিল করে দেয় । [ 2 ] জাপানে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য - সহ বেশ কয়েকটি পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয় । [ 3 ] আমেরিকায় অবস্থিত জাপানি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে । এসব ঘটনায় জাপান ক্ষুব্ধ হয় । 

b)  যুদ্ধের সম্ভাবনা : জাপান খনিজ তেলসমৃদ্ধ দক্ষিণ ইন্দোচিন দখল ( ১৯৪১ খ্রি . ) করে নিলে জাপানের সঙ্গে আমেরিকা সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে । এরপর চিন ও ইন্দোচিন থেকে জাপানি সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানায় । আমেরিকার এই দাবি জাপান প্রত্যাহার করলে উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দেয় ।

c) পার্ল হারবারে আক্রমণ : জাপান ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ৭ ডিসেম্বর সকালে বিশাল নৌবহর ও ৩৩৫ টি যুদ্ধবিমান নিয়ে ভাইস অ্যাডমিরাল নোগুচি - র নেতৃত্বে আমেরিকার নৌঘাঁটি পার্ল হারবারে বোমাবর্ষণ শুরু করে এবং এখানকার মার্কিন নৌঘাঁটি ধ্বংস করে দেয় । এটি পার্ল হারবারের ঘটনা নামে পরিচিত ।

d) ফলাফল :- এই ঘটনার পরদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু  হয়।

4. উড্রো উইলসনের চোদ্দো দফা নীতি (Fourteen points) কী? 

Ans:- বিশ্বযুদ্ধের শেষপর্বে ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ২ এপ্রিল যুদ্ধে যোগদান করে ২৪ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ঘোষণা করেছিলেন, 'গণতন্ত্রের জন্য বিশ্বের নিরাপত্তা প্রয়োজন। রাজনৈতিক স্বাধীনতার ওপর বিশ্ব শান্তিপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানবাধিকার রক্ষা করাই একমাত্র লক্ষ্য।' তাই জার্মানির আত্মসমর্পণ ও প্যারিসের শান্তি সম্মেলনের ১০ মাস আগেই ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দের ৮ জানুয়ারি উইলসন বিশ্ব শান্তিপ্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র রক্ষা, ইউরোপের পুনর্গঠন প্রভৃতি উদ্দেশ্যে মার্কিন কংগ্রেসে তাঁর ঐতিহাসিক চোদ্দো দফা নীতি (Fourteen points) ঘোষণা করেন। এতে তিনি বলেন- 

1. সমস্ত আন্তর্জাতিক শান্তিচুক্তি প্রকাশ্যে আলোচিত হবে এবং গোপন চুক্তি ব্যবস্থা বর্জিত হবে। 

2. যুদ্ধ ও শান্তির সময় দেশের উপকূল ছাড়া সমগ্র সমুদ্রকে উন্মুক্ত রাখা। 

3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বসবাসকারী মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করা। 

4. রাশিয়াকে তার হারানো ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিয়ে স্বাধীন রূপে গড়ে উঠতে সাহায্য করা। 

5. বেলজিয়ামকে স্বাধীন রাষ্ট্ররূপে প্রতিষ্ঠা করা। 

6.  ইতালির রাজ্যসীমা নির্ধারণ করা। 

7.  আলসাস-লোরেন ফ্রান্সকে ফিরিয়ে দেওয়া। 

8. অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির স্বায়ত্তশাসন দান করা। 

9. বলকান অঞ্চলের পুনর্গঠন করা। 

10. দার্দেনালিস প্রণালীকে নিরপেক্ষ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করে তুরস্কের অমুসলমানদের স্বায়ত্তশাসন দান করা। 

11. স্বাধীন ও অখন্ড রাষ্ট্ররূপে পোল্যান্ডের পুনর্গঠন করা 

12. বিশ্বের সমস্ত রাষ্ট্রের বিধিনিষেধ রহিত করা। 

13.  যুদ্ধ প্রকরণ হ্রাস করতে হবে। 

14.  উপনিবেশে  স্বাধীনতা, সীমারেখা ও নিরাপত্তার জন্য অছি পরিষদ জাতীয় একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গড়ে তোলা। 

5. টিকা লেখ : হিরোশিমা-নাগাসাকি (Hiroshima-Nagasaki) ঘটনা।

Ans:- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ১৭ জুলাই পোটড্রাম সম্মেলনে জাপান মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রক্ষা না করায় আমেরিকা ক্রুদ্ধ হয়ে জাপানকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই উদ্দেশ্যে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ৬ আগস্ট হিরোশিমাতে ইউরেনিয়াম ২৩৮ থেকে তৈরি পারমাণবিক বোমা লিটল বয় নিক্ষেপ করে। এই বোমাটি প্রায় ২০ হাজার টন টি-এন-টি বা বিস্ফোরকের সমান ছিল। এটি ছিল পৃথিবীর প্রথম পরমাণু বোমা নিক্ষেপের ঘটনা। এর পরিণামে হিরোশিমাতে প্রায় ৭৮০০০ মানুষ মারা যায়। 

আমেরিকা এই ঘটনার তিন দিন পর ৯ আগস্ট ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ জাপানের নাগাসাকি শহরে প্লুটোনিয়াম থেকে তৈরি 'ফ্যাটম্যান পারমাণবিক বোমাটি   নিক্ষেপ করে। এতে প্রায় ৪০০০০ নিরীহ জাপানি নাগরিক মারা যায়। নাগাসাকি শহরটি প্রায় মাটির সঙ্গে মিশে যায়। কারণ নাগাসাকিতে নিক্ষেপিত বোমাটি ছিল প্রায় ২২ হাজার টন টি-এন-টি-র সমতুল্য। এই ঘটনার পর জাপানিদের মনোবল নষ্ট হয়। তারা আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়।

6. টিকা লেখ : নতুন অর্থনৈতিক নীতি (New Economic Policy বা NEP)।

Ans:- বলশেভিক বিপ্লবের পর রাশিয়ায় কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিপর্যয় দেখা দিলে বাস্তববাদী প্রেসিডেন্ট লেনিন  সমাজতন্ত্রের পথ থেকে সরে এসে এক তিন অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করেন যা 'NEP' বা 'নতুন অর্থনৈতিক নীতি' নামে পরিচিত। এই অর্থনীতিতে কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যের ব্যাপারে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। 

 ● নীতি সমুহ :- 

(i) কৃষকদের উদ্‌বৃত্ত ফসল কেড়ে নেওয়া হবে না। তারা ওই ফসল ন্যায্যমূল্যে বাজারে বিক্রি করতে পারবে।

 (ii) রাষ্ট্রের কর্তৃত্বাধীন জমিতে কৃষি-মালিকানা থাকবে।

 (iii) কৃষি ব্যাংক গঠন, কৃষিক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ ইত্যাদি পদক্ষেপ গৃহীত হবে। 

(iv) ছোটো ও মাঝারি শিল্পগুলিতে ব্যক্তিমালিকানা বজায় থাকবে। 

(v)  শিল্পক্ষেত্রগুলিতেও 'রাষ্ট্রীয়করণ নীতি' শিথিল করা হবে। 

(vi) শুধুমাত্র বড়ো আকারের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলির নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে থাকবে। 

(vii) ৩৮০০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সরকার, বেসরকারি মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেবে। 

লেনিনের নতুন অর্থনৈতিক নীতির সুফলস্বরূপ রাশিয়ায় রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নতি ঘটে। রাশিয়ার অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে এই নীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই নীতির মাধ্যমে লেনিন রুশ বিপ্লবকে সফলতার পথে এগিয়ে নিয়ে যান। 

7. এমস টেলিগ্রাম কী?

Ans:- জার্মানির ঐক্যসাধনের জন্য বিসমার্ক ফ্রান্সের সঙ্গে যুদ্ধের সুযোগ খুঁজছিলেন।  ফরাসি সম্রাটের দূত কাউন্ট বেনেদিতি এমস শহরে বিশ্রামরত প্রাশিয়ার সম্রাট প্রথম উইলিয়মের কাছে আসেন। ফরাসি দূত প্রাশিয়ার রাজবংশের কাউকে স্পেনের সিংহাসনে না-বসানোর জন্য প্রতিশ্রুতি চাইলেও প্রাশিয়ার সম্রাট ভদ্রভাবেই তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি এই সাক্ষাৎকারের বিবরণ টেলিগ্রাম করে বিসমার্ককে জানান (১৮৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৩ জুলাই)। এটিই 'এমস টেলিগ্রাম' নামে খ্যাত।

বিসমার্ক এই টেলিগ্রামের কিছু শব্দ বাদ দিয়ে এমনভাবে সংবাদপত্রে প্রকাশ করেন যাতে মনে হয় ফরাসি দূত প্রাশিয়ার রাজার কাছে অপমানিত হয়েছেন। ফরাসিরা এই ঘটনাকে 'জাতীয় অপমান' বলে মনে করে এবং এর প্রতিশোধ নিতে উঠে পড়ে লাগে। এর ফলশ্রুতিতে মাত্র দু-দিন পরে ১৫ জুলাই ফ্রান্স প্রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিসমার্ক মন্তব্য করেন-'লাল কাপড় দেখে ফরাসি ষাঁড় ক্ষেপে গেছে'।

8. আমেরিকা কেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে? 

Ans:- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৩৯-৪৫ খ্রি.) আমেরিকা প্রথমে নিরপেক্ষতা নীতি গ্রহণ করলেও পরে যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়ে।

1. নিরপেক্ষতা নীতি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রপক্ষের প্রতি আমেরিকার সমর্থন থাকলেও যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথম প্রায় ২ বছর আমেরিকা নিরপেক্ষতা নীতি নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। এই সময় আমেরিকা মূলত মিত্রপক্ষীয় রাষ্ট্রগুলির কাছে অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করে।

2. সামরিক তৎপরতা: ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি থেকে জার্মান আক্রমণে মিত্রপক্ষীয় দেশগুলি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে এবং ভবিষ্যতে অক্ষশক্তির দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এর ফলে আতঙ্কগ্রস্ত আমেরিকা সামরিক তৎপরতা শুরু করে।

3. অঘোষিত যুদ্ধ: আমেরিকা মিত্রপক্ষকে অস্ত্র সাহায্য করলে ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের শেষদিকে আমেরিকা ও অক্ষশক্তির মধ্যে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। জার্মান সাবমেরিনগুলি ক্রমাগত মার্কিন জাহাজগুলিতে আক্রমণ চালাতে থাকে, আবার আমেরিকাও পালটা জার্মান সাবমেরিন ও যুদ্ধজাহাজগুলিকে 'দেখামাত্র গুলি' করার নির্দেশ দেয়।

4. পার্ল হারবারের ঘটনা: অক্ষশক্তিভুক্ত জাপান ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ৭ ডিসেম্বর হঠাৎ হাওয়াই দ্বীপে মার্কিন নৌঘাঁটি পার্ল হারবার-এ বোমা বর্ষণ করে ঘাঁটিটি ধ্বংস করে দেয় এবং পরদিন (৮ ডিসেম্বর) জাপান আমেরিকা ও মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে আমেরিকা তার বিপুল শক্তি নিয়ে সরাসরি অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয়।

9.  স্পেনে গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপট আলোচনা করো।

Or,স্পেনে গৃহযুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহড়া বলা হয় কেন? 

Ans:- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে স্পেনে চরম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয়। এই অবস্থায় সামরিক শাসক প্রাইমো-ডি-রিভেরা (১৯২৩-৩০ খ্রি.) দেশে একনায়কতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

● স্পেনের গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত:- 

1. পপুলার ফ্রন্ট গঠন: স্পেনে ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে পপুলার ফ্রন্ট নামে জোট সরকার গঠিত হয়। এই সরকারের বিরুদ্ধে দক্ষিণপন্থীরা দেশের নানা স্থানে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাধায়।

2.  সামরিক বিভাগের ক্ষোভ: বিশৃঙ্খলার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বেশ কিছু সামরিক কর্মচারীকে বরখাস্ত, বদলি বা অবসর গ্রহণে বাধ্য করে। জেনারেল ফ্রাঙ্কোকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পাঠানো হলে সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক বিভাগে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

3. বিদ্রোহ: দক্ষিণপন্থী বিভিন্ন দল, জমিদার, বুর্জোয়া, যাজকরা ক্ষুব্ধ সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করে। স্পেনীয় সেনাদল ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। এই বিদ্রোহে নেতৃত্বে দিতে জেনারেল ফ্রাঙ্কো মরক্কোয় উপস্থিত হন।

4. গৃহযুদ্ধ: স্পেন সরকারের বিরুদ্ধে উক্ত বিদ্রোহে প্রজাতন্ত্রী, সমাজতন্ত্রী ও কমিউনিস্টরা সরকার পক্ষকে সমর্থন করে। অন্যদিকে দক্ষিণপন্থী দল, শিল্পপতি, ভূস্বামী ও যাজকরা জেনারেল ফ্র্যাঙ্কোকে সমর্থন করে। ফলে স্পেনে উভয় পক্ষের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।

স্পেনের গৃহযুদ্ধে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ নিহত এবং দেশছাড়া হয়। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় ঐতিহাসিক ল্যাংসাম এই গৃহযুদ্ধকে 'ক্ষুদ্র বিশ্বযুদ্ধ' বলে অভিহিত করেছেন।একে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহড়া বলা হয় । 

10.  নেপোলিয়ন কেন রাশিয়া আক্রমণ করেছিলেন?

Answer:-  টিলসিটের সন্ধির (১৮০৭ খ্রি.) দ্বারা ফ্রান্স ও রাশিয়ার মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠলেও এই সম্পর্ক শীঘ্রই ভেঙে যায়। ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন রাশিয়া আক্রমণ (১৮১২ খ্রি.) করেন।

● নেপোলিয়ন কর্তৃক রাশিয়া আক্রমণের কারণ:-  নেপোলিয়ন কর্তৃক রাশিয়া আক্রমণের প্রধান কারণগুলি ছিল-

1. টিলসিটের সন্ধির ত্রুটি: টিলসিটের সন্ধিতে নেপোলিয়ন তুরস্ক ও সুইডেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলেও তিনি সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন। ফলে রুশ জার ক্ষুদ্ধ হন।

2. ওল্ডেনবার্গ দখল: মহাদেশীয় অবরোধ ব্যবস্থা মানতে অস্বীকার করায় নেপোলিয়ন রুশ জারের ভগ্নিপতি ওল্ডেনবার্গের ডিউকের রাজ্যটি দখল করে নেন। ফলে জার অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হন।

3. ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার ঘনিষ্ঠতা: নেপোলিয়ন অস্ট্রিয়ার হ্যাপ্সবার্গ বংশীয় রাজকন্যা মেরি লুইসা-কে বিবাহ করলে রুশ জার আতঙ্কিত হন যে, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া মিলিত হয়ে রাশিয়ার ক্ষতি করবে।

4. মহাদেশীয় অবরোধ ব্যবস্থা: রাশিয়া প্রথমে নেপোলিয়নের মহাদেশীয় অবরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও ১৮১০ খ্রিস্টাব্দে এই ব্যবস্থা মানতে অস্বীকার করে। ফলে রাশিয়ার ওপর নেপোলিয়ন ক্ষুদ্ধ হন।

11. ইটালিতে মুসোলিনির নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট দলের ক্ষমতা দখলের প্রেক্ষাপট আলোচনা করো।

Answer:- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর দেশের সংকটজনক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মুসোলিনির নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট দল ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে ইটালির শাসনক্ষমতা দখল করে।

1. ইটালির দুর্দশা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইটালিতে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক দুর্দশা, শ্রমিক ধর্মঘট, দাঙ্গা, লুঠতরাজ প্রভৃতি দেশকে এক চরম দুর্দশার দিকে ঠেলে দেয়।

2. মুসোলিনির প্রচার: মুসোলিনি প্রচার করেন যে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ইটালি মিত্রপক্ষের হয়ে যুদ্ধ করা সত্ত্বেও যুদ্ধের পর ভার্সাই সন্ধিতে ইটালিকে তার প্রাপ্য স্থানগুলি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাঁর প্রচার ইটালির সেনা-অফিসার ও বেকার যুবকদের উদ্দীপ্ত করে।

3. ফ্যাসিস্ট দল গঠন: মুসোলিনি ইটালির মিলান শহরে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে (২৩ মার্চ) বেকার সৈনিক ও দেশপ্রেমিকদের এক সমাবেশে 'ফ্যাসিস্ট' দল প্রতিষ্ঠা করেন।

4. দলের সংগঠন:- ফ্যাসিস্ট দল শীঘ্রই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য শাখা গড়ে তোলে। ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে এই দলের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষে পৌঁছায়। মুসোলিনি বেকার সৈনিক ও যুবকদের নিয়ে 'ব্ল্যাক শার্টস' নামে একটি আধা-স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গড়ে তোলেন।

5. ক্ষমতা দখল: মুসোলিনির রোম অভিযানের ফলে রোমের মন্ত্রীসভা পদত্যাগ করে। রাজা তৃতীয় ভিক্টর ইমান্যুয়েল তাঁকে মন্ত্রীসভা গঠনের আহ্বান জানালে তাঁর নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট দল ইটালির ক্ষমতা দখল করে (৩০ অক্টোবর, ১৯২২ খ্রি.)।

12. ইঙ্গ-ফরাসি তোষণ নীতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য কতটা দায়ী ছিল? 

Ans:-  ইঙ্গ-ফরাসি তোষণ নীতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল, কারণ এই নীতির কারণে জার্মানির আগ্রাসন বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে চেকোস্লোভাকিয়ার মতো দেশগুলোর ওপর। এটি হিটলারকে আরও ক্ষমতাশালী হতে এবং তার সাম্রাজ্যবাদী নীতি অনুসরণ করতে উৎসাহিত করেছিল, যা অবশেষে যুদ্ধের দিকে নিয়ে যায়। 

1. হিটলারের আগ্রাসন বৃদ্ধি: তোষণ নীতির কারণে জার্মানি তাদের আগ্রাসী নীতি বজায় রাখে, যা তাদের আরও ক্ষমতাশালী করে তোলে।

2. মিউনিখ চুক্তি: এই চুক্তির মাধ্যমে জার্মানিকে চেকোস্লোভাকিয়ার কিছু অংশ দেওয়া হয়েছিল, যা তাদের আরও সাম্রাজ্যবাদী হতে উৎসাহিত করে।

3. অন্যান্য দেশের দুর্বলতা: এই নীতি অন্যান্য দেশগুলোকে জার্মানির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে নিরুৎসাহিত করে, যা যুদ্ধকে আরও সহজ করে তোলে।

যুদ্ধের সূচনা: তোষণ নীতি শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করে। 

13.দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির পরাজয়ের কারণ লেখ। 

Ans:-  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথম দিকে চমকপ্রদ সাফল্য পেলেও শেষ পর্যন্ত অক্ষশক্তি জোট মিত্রশক্তি জোটের কাছে পরাজিত হয়েছিল। অক্ষশক্তির পরাজয়ের পেছনে নানা কারণ ছিল।

● অক্ষশক্তির পরাজয়ের কারণ:- 

1.  জনসমর্থনের অভাব: অক্ষশক্তির কর্ণধারেরা নিজ নিজ দেশেই জনপ্রিয় ছিলেন না। যুদ্ধজনিত কারণে অর্থসম্পদ ও মানব সম্পদের অপূরনীয় ক্ষতি দেশবাসী মেনে নিতে পারেননি। জার্মানি ও ইটালিতে নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। 

2. জনমত আদায়ে ব্যর্থতা: অক্ষশক্তির ক্ষুব্ধ অভিযানের পেছনে ছিল আগ্রাসী মনোভাব। আর মিত্রশক্তির লক্ষ্য ছিল বিশ্বে গণতন্ত্র, শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা। তাই অক্ষশক্তির পররাজ্য গ্রাস নীতির প্রতি। বিশ্বের শান্তিপ্রিয় মানুষের সমর্থন ছিল না। বিশ্ব সহানুভূতি আদায়ে ব্যর্থতা অক্ষশক্তির একটি বড়ো দুর্বলতা ছিল।

3. আমেরিকার যোগদান: বিশ্বযুদ্ধের প্রথম দিকে আমেরিকা যুদ্ধে যোগ না দিলেও নানা ভাবে মিত্র জোটকে সাহায্য করে আসছিল। পার্ল হারবার সংক্রান্ত ঘটনার মধ্য দিয়ে আমেরিকা অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে এবং মিত্রপক্ষের পক্ষে যোগ দিলে এই জোটের জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং অক্ষশক্তি পিছু হঠতে থাকে।

4. অক্ষশক্তির দুর্বলতা: যুদ্ধের শুরুতেই অক্ষশক্তির দুর্বলতা ধরা পড়ে। অক্ষশক্তি জোটের মধ্যে ইটালি ছিল সবচেয়ে দুর্বল। তাই ইটালি জার্মানিকে সহযোগিতার বদলে জার্মানির কাছে বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই মিত্রশক্তির সম্মিলিত লোকবল ও অর্থবলের কাছে জার্মানির একক উদ্যম ও অর্থবল খুবই নগণ্য ছিল।

14.ক্রিমিয়ার যুদ্ধ কী ? 

Ans:-  ক্রিমিয়ার যুদ্ধ ছিল ১৮৫৪-১৮৫৬ সালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিটেন, ফ্রান্স, তুরস্ক এবং সার্ডিনিয়ার একটি জোটের মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধ, যা মূলত অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতা, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পবিত্র স্থানগুলির সুরক্ষার অধিকার নিয়ে রাশিয়ার দাবি জানানোর ফলে সৃষ্টি হয়।

● যুদ্ধের কারণ:-

1. ধর্মীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব: রাশিয়া অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা খ্রিস্টানদের রক্ষা করার অধিকার দাবি করে, যা অটোমানদের জন্য একটি হুমকি ছিল এবং রাশিয়াকে আরও বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দিত।

2. অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতা: অটোমান সাম্রাজ্যের সামরিক ও প্রশাসনিক দুর্বলতা রাশিয়াকে তাদের ভূমি সম্প্রসারণের একটি সুযোগ করে দেয়।

3. ইউরোপীয় শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা: ব্রিটেন ও ফ্রান্স রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান শক্তি বৃদ্ধিতে শঙ্কিত ছিল এবং রাশিয়ার আগ্রাসন রোধ করতে চেয়েছিল, যার ফলে তারা অটোমানদের পক্ষ নেয়। 

● যুদ্ধের ফলাফল:-

এই যুদ্ধে প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ মারা যায় এবং জনগণের দুর্ভোগ বেড়ে যায়।এই যুদ্ধে মিনি ও এনফিল্ডের মতো দ্রুত-লোডিং রাইফেল ব্যবহার করা হয়। তবে ব্রিটিশদের জন্য, এই যুদ্ধ তাদের সামরিক ও যৌক্তিক অক্ষমতার একটি প্রতীক হয়ে দাঁড়ায় । 


Ix shorts Hist Geo

 Short Questions Geography 

1. রাজস্ব আদায়ের সবচেয়ে নীচের স্তরের প্রশাসনিক একক হল— A. গ্রাম B. শহর C. ব্লক D. মৌজা।  Ans. D

2. অ্যাটলাস মানচিত্রে R. F. কত হয়— A. 1:10000 B. 1:200000 C. 1:1000000 D. 1:50000। Ans. C

3. ভৌগোলিকদের কাছে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মানচিত্র হল— A. ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র B. মৌজা মানচিত্র C. রাজনৈতিক মানচিত্র D. ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র। Ans. A

4. প্রথম মানচিত্র বই প্রকাশ করেন— A. মার্কেটর B. আর্যভট্ট C. হেকাটিয়াস D. হেরোডোটাস। Ans. A

5. চৌম্বকীয় কম্পাস নিদের্শ করে— A. উত্তরদিক B. দক্ষিণদিক C. পূর্বদিক D. পশ্চিমদিক। Ans. A

6. গ্লোব আঁকা হয়— A. ক্ষুদ্র স্কেল মানচিত্রে B. বৃহৎ স্কেল মানচিত্রে C. মাঝারি স্কেল মানচিত্রে D. কোনোটিই নয়। Ans. A

7. ইংরেজি ‘ম্যাপ’ কথাটি এসেছে লাতিন শব্দ— A. ম্যাপিয়া B. ম্যাপ্পা C. ম্যাপ্পো D. ম্যাপিন থেকে। Ans. B

8. ম্যাপ্পা বলতে বোঝায়— A. একখণ্ড কাগজ B. একখণ্ড পৃথিবী C. একখণ্ড কাপড় D. একখণ্ড মাটি। Ans. C

9. NATMO-এর সদর দপ্তর অবস্থিত – A. দিল্লিতে B. কলকাতায় C. দেরাদুনে D. রাঁচিতে। Ans. B

10. J. L. নম্বর দেওয়া থাকে – A. টোপোগ্রাফিকাল ম্যাপে B. মৌজা ম্যাপে C. অ্যাটলাসে D. কোনোটিই নয়। Ans. B

11. প্রথম মানচিত্র বই প্রকাশ করেন— A. মার্কেটর B. আর্যভট্ট C. হেকাটিয়াস D. হেরোডোটাস। Ans. A

12. মানচিত্রের হ্রাসবৃদ্ধির সঙ্গে স্কেলের অনুপাতের সম্পর্ক ______। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. ব্যস্তানুপাতিক

13. স্কেলের ভিত্তিতে মানচিত্র কয় প্রকার? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. তিন প্রকার।

14. মানচিত্রকে বড়ো করলে স্কেলের অনুপাত বৃদ্ধি পায়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা।

15. টোপোগ্রাফিকাল মানচিত্রে সমোন্নতি রেখা দেখানো হয় ______ রঙের সাহায্যে। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. বাদামি।

16. অসংখ্য মানচিত্র সমন্বিত বইকে কী বলে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. অ্যাটলাস।

17. ভার্নিয়ার ধ্রুবক নির্ণয় করতে হয় কর্ণীয় স্কেলে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা।

18. পৃথিবীর একটি ছোটো মডেল হল গ্লোব। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য।

19. কাস্ট ভূমিরূপ যে আবহবিকারের ফলে ঘটে— A. জারণ B. অঙ্গারযোজন C. আর্দ্র-বিশ্লেষণ D. জৈবিক আবহবিকার। Ans. B

20. চুনাপাথরযুক্ত অঞ্চলে বেশি দেখা যায়— A. কার্বোনেশন B. হাইড্রেশন C. হাইড্রোলিসিস D. অক্সিডেশন। Ans. A

21. মরুভূমি অঞ্চলে মৃত্তিকা ক্ষয় হয়— A. নদীর দ্বারা B. হিমবাহের দ্বারা C. বায়ুপ্রবাহের দ্বারা D. মানুষের দ্বারা। Ans. C

22. যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলায় ঘটে— A. ভৌত পরিবর্তন B. রাসায়নিক পরিবর্তন C. উভয় প্রকার পরিবর্তন D. কোনো পরিবর্তন হয় না। Ans. A

23. শিলার শুধুমাত্র আকৃতিগত পরিবর্তন যে আবহবিকারের ফলে ঘটে, সেটি হল— A. জৈবিক আবহবিকার B. যান্ত্রিক আবহবিকার C. জৈব-যান্ত্রিক আবহবিকার D. রাসায়নিক আবহবিকার। Ans. B

24. বৃষ্টিবহুল ক্রান্তীয় অঞ্চলে দেখা যায়— A. যান্ত্রিক আবহবিকার B. রাসায়নিক আবহবিকার C. জৈবিক আবহবিকার D. কোনোটিই নয়। Ans. B

25. বিষমসত্ত্ব শিলায় যে ধরনের আবহবিকার ঘটে তা হল— A. বিচূর্ণন B. বোল্ডার ভাঙন C. শল্কমোচন D. ক্ষুদ্রকণা বিশরণ। Ans. D

26. মৃত্তিকাক্ষয়ের একটি মনুষ্যসৃষ্ট কারণ হল— A. জলপ্রবাহ B. কৃষিকার্য C. শিকড় বৃদ্ধি D. মাটিতে গর্ত সৃষ্টি। Ans. B

27. উষ্ণ মরুভূমিতে যান্ত্রিক আবহবিকারের প্রধান প্রক্রিয়াটি হল – A. লবণ কেলাস গঠন B. তুষার খণ্ডীকরণ C. ক্ষুদ্রকণা বিশরণ D. প্রস্তরচাঁই বিচ্ছিন্নকরণ। Ans. C

28. শল্কমোচন প্রক্রিয়াটি হয় – A. ব্যাসল্ট শিলায় B. গ্রানাইট শিলায় C. বেলেপাথরে D. কাদাপাথরে। Ans. B

29. মৃত্তিকা সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে সৃষ্টি হয়— A. সোলাম B. রেগোলিথ C. ব্যাথোলিথ D. কনোলিথ। Ans. B

30. ধাপচাষ অধিক দেখা যায়— A. পার্বত্য অঞ্চলে B. মরুভূমিতে C. সমভূমিতে D. উপকূলে। Ans. A

31. যে প্রক্রিয়ায় ক্যালশিয়াম কার্বনেট ক্যালশিয়াম বাইকার্বনেটে পরিণত হয়— A. জারণ B. অগারযোজন C. জলযোজন D. দ্রবণ। Ans. B

32. শিলার শুধুমাত্র আকৃতিগত পরিবর্তন যে আবহবিকারের ফলে ঘটে, সেটি হল— A. জৈবিক আবহবিকার B. যান্ত্রিক আবহবিকার C. জৈব-যান্ত্রিক আবহবিকার D. রাসায়নিক আবহবিকার। Ans. B

33. তুহিন-খণ্ডীকরণের ফলে সৃষ্টি শিলাখণ্ডগুলিকে বলা হয়— A. ট্যালাস B. পেডিমেন্ট C. লোয়েস D. বাজাদা। Ans:-A

34. হিউমাস সৃষ্টির পর্যায়টি হল— A. রেগোলিথ B. হিউমিফিকেশন C. খনিজকরণ D. এলুভিয়েশন। Ans. B

35. শল্কমোচন প্রক্রিয়াটি হয় – A. ব্যাসল্ট শিলায় B. গ্রানাইট শিলায় C. বেলেপাথরে D. কাদাপাথরে। Ans. B

36. অঙ্গারযোজন প্রক্রিয়ায় শিলায় মরচে পড়ে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

37. আবহবিকারের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফল হল—এটি মৃত্তিকা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

38. আবহবিকারের ফলে সৃষ্ট শিলাচূর্ণের আস্তরণকে রেগোলিথ বলে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

39. নগ্নীভবনে শিলাস্তর উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

40. দ্রবণ যান্ত্রিক আবহবিকারের একটি প্রক্রিয়া। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

41. জল, তুষার কেলাসে পরিণত হলে আয়তনে ______ যায়। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. বেড়ে

42. নিরক্ষীয় অঞ্চলে ______ আবহবিকার বেশি দেখা যায়। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. রাসায়নিক

43. যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হিউমাস তৈরি হয় তাকে কী বলে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. হিউমিফিকেশন।

44. পর্বতের ঢালে আবহবিকারের ফলে সৃষ্ট শঙ্কু আকৃতির শিলাচূর্ণকে কী বলে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. ট্যালাস।

45. আবহবিকার’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. জি. কে. গিলবার্ট।

46. নিরক্ষীয় অঞ্চলে ______ আবহবিকার বেশি দেখা যায়। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. রাসায়নিক

47. একটি মনুষ্যসৃষ্ট চরম বিপর্যয়ের উদাহরণ – A. ভূমিকম্প B. অগ্ন্যুৎপাত C. পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ D. খরা। Ans. C

48. বিপর্যয় লঘুকরণ দিবস হিসেবে পালন করা হয়— A. 10 অক্টোবর B. 10 নভেম্বর C. 5 সেপ্টেম্বর D. 5 জানুয়ারি। Ans. A

49. ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়— A. জাপানকে B. ইরাককে C. মায়ানমারকে D. ভারতকে। Ans. A

50. চিন, জাপান প্রভৃতি দেশে ঘূর্ণিঝড় যে নামে পরিচিত A. তাইফু B. টাইফুন C. হ্যারিকেন D. উহলি-উইলি। Ans. B

51. হিমানী সম্প্রপাত ঘটে – A. পার্বত্য অঞ্চলে B. মরুভূমি অঞ্চলে C. মালভূমি অঞ্চলে D. সমুদ্র উপকূলে। Ans. A

52. পোড়ামাটির পুতুল ও মূর্তি বিশ্ববিখ্যাত – A. ঘাটালের B. চণ্ডিপুরের C. শান্তিপুরের D. বিষ্ণুপুরের। Ans. D

53. মৎস্য বন্দর গড়ে উঠেছে – A. শংকরপুরে B. কৃষ্ণনগরে C. বাঁকুড়াতে D. বালুরঘাটে। Ans. A

54. উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম নদী— A. তিস্তা B. তোর্সা C. বালাসন D. জলঢাকা। Ans. A

55. জোয়ারভাটা দেখা যায় এমন একটি নদী হল— A. মাথাভাঙা B. তোর্সা C. রঙ্গিত D. দ্বারকেশ্বর। Ans. A

56. পশ্চিমবঙ্গের একটি বরফগলা জলে পুষ্ট নদীর নাম— A. গঙ্গা B. সপ্তমুখী C. অজয় D. কংসাবতী। Ans. A

57. পশ্চিমবঙ্গে গ্রীষ্মকাল শুষ্ক ও শীতকাল আর্দ্র। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

58. পার্বত্য অঞ্চলের মাটির রং কেমন হয়? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. কালো বা ধূসর।

59. দার্জিলিং একটি শৈলশহর। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

60. সেবক ব্রিজ কোন নদীর ওপর অবস্থিত? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. তিস্তা।

61. ______ জেলাকে পশ্চিমবঙ্গের ‘ধানের গোলা’ বলা হয়। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. বর্ধমান

62. পশ্চিমবঙ্গের দুটি তন্তুজাতীয় শস্যের নাম লেখো। (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. পাট ও শন।

63. উত্তরবঙ্গের নদীগুলি খরস্রোতা বলে ______ উৎপাদনে সুবিধাজনক। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. জলবিদ্যুৎ

64. উত্তরবঙ্গের নদীগুলি ______ জলে পুষ্ট। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. বরফগলা

65. কোন নদী উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলকে দ্বিধাবিভক্ত করেছে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. তিস্তা নদী।

66. পশ্চিমবঙ্গের দুটি অর্থকরী ফসলের নাম লেখো। (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. চা ও পাট।

67. পশ্চিমবঙ্গের উষ্ণতম স্থানটির নাম কী? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. আসানসোল।

68. হলদিয়া পশ্চিমবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

69. শুষ্ক পর্ণমোচী অরণ্য দেখা যায়— A. পার্বত্য অঞ্চলে B. মালভূমি অঞ্চলে C. সমভূমি অঞ্চলে D. দ্বীপ অঞ্চলে। Ans. B

70' ছৌ নাচ বিখ্যাত – A. পুরুলিয়ায় B. বাঁকুড়ায় C. হাওড়ায় D. বীরভূমে। Ans. A

71. সুন্দরী গাছে শ্বাসমূল থাকে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

72. ভাগীরথীর দুটি উপনদীর নাম লেখো। (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. ময়ুরাক্ষী ও অজয়।

73. একটি অপ্রচলিত শক্তির উৎস— A.খরস্রোতা নদী B. সূর্যালোক C. কয়লা D. খনিজ তেল। Ans. B

74. ভারতের ভূতাপ শক্তিকেন্দ্র গড়ে উঠেছে— A. ভিজিনজামে B. মণিকরণে C. জালখেড়িতে D. চিকমাগালুরে। Ans. B

75. ভারতে ভারতের প্রথম পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্র – A. ট্রম্বে B. কালপক্কম C. তারাপুর D. শোলাপুর। Ans. C

76. ভারতের বৃহত্তম কয়লাখনি অঞ্চল— A. রানিগঞ্জ B. ঝরিয়া C. সিগারেনি D. বাদামপাহাড়। Ans. B

77. ভারতে ভারতের প্রথম পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্র – A. ট্রম্বে B. কালপক্কম C. তারাপুর D. শোলাপুর। Ans. C

78. অসমের একটি গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোলিয়াম উত্তোলন কেন্দ্র A. নুনমাটি B. নাহারকাটিয়া C. ট্রম্বে D. লুনেজ। Ans. B

79. একটি অপুনর্ভব সম্পদ হল— A. সূর্যালোক B. সোনা C. বায়ু D.ভূতাপ। Ans. B

80. একটি জৈব খনিজের উদাহরণ— A. কয়লা B. লোহা C. তামা D. থোরিয়াম। Ans. A

81. কোক কয়লা প্রস্তুত করা হয়— A. বিটুমিনাস থেকে B. লিগনাইট থেকে C. অ্যানথ্রাসাইট থেকে D. পিট থেকে। Ans. A

82. একটি আন্তর্জাতিক সম্পদের উদাহরণ হল— A. বিদ্যালয় B. জল C. মাটি D. ওজোনস্তর। Ans. D

83. ভারতের প্রথম কয়লা খনি— A. কোরবা B. বরাকর C. তালচের D. রানিগঞ্জ। Ans. D

84. শিবসমুদ্রম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে উঠেছে— A. মহানদীতে B. গোদাবরী নদীতে C. নর্মদা নদীতে D. কাবেরী নদীতে। Ans. D

85. কয়লা উত্তোলক প্রথম রাজ্যটির নাম— A. বিহার B. ঝাড়খণ্ড C. ছত্তিশগড় D. ওডিশা। Ans. B

86. ______ ভারতের বৃহত্তম কয়লাখনি অঞ্চল । (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. ঝরিয়া

87. সম্পদের ধারণা স্থিতিশীল। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

88. ভারতের বৃহত্তম খনিজ তেল উত্তোলক অঞ্চল মুম্বাই হাই। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

89. প্রকৃতি, মানুষ ও ______ সম্পদ সৃষ্টির প্রধান তিনটি উপাদান। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. সংস্কৃতি

90. খনিজ তেলে কোন্ উপাদান বেশি পরিমাণে থাকে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. হাইড্রোকার্বন।

91. দক্ষিণ ভারতের প্রধান লিগনাইট খনির নাম ______। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. নেয়ভেলি

92. কয়লাতে কার্বনের পরিমাণ খুব বেশি থাকলে তাকে কী বলে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. গ্রাফাইট।

93. পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এরূপ জ্বালানিকে কী বলে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. সবুজ জ্বালানি।

94. পেট্রোলিয়ামের অপর নাম কী? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. হাইড্রোকার্বন।

95. আলফ্রেড ওয়েগনার ‘মহীসঞ্চরণ’ মতবাদের ব্যাখ্যা দেন— A. 1914 সালে B. 1896 সালে C. 1922 সালে D. 1912 সালে। Ans. D

96. জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট প্রকৃতপক্ষে একটি – A. বনভূমি B. স্তূপ পর্বত C. কৃষ্ণ মৃত্তিকা অঞ্চল D. বৃক্ষহীন অঞ্চল। Ans. B

97. গ্রস্ত উপত্যকার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে— A. সিন নদী B. রাইন নদী C. ভিলা নদী D. গোদাবরী নদী। Ans. B

98. টেবিলল্যান্ড বলা হয়ে থাকে— A. পর্বতকে B. মালভূমিকে C. পাহাড়কে D. সমভূমিকে। Ans. B

99. শিলাস্তরে ভাজ পড়ে সৃষ্টি হয়— A. ভঙ্গিল পর্বত B. স্তূপ পর্বত C. আগ্নেয় পর্বত D. সঞ্চয়জাত পর্বত। Ans. A

100. পৃথিবীর উচ্চতম আগ্নেয়গিরি হল— A. ফুজিয়ামা B. ভিসুভিয়াস C. ক্রাকাতোয়া D. মৌনালোয়া। Ans. D

101. টেল’ ভূমিরূপ গঠিত হয়— A. নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে B. হিমবাহের নুড়ি ও কাদা সঞ্চয়ের ফলে C. উপকূলের বালি সঞ্জিত হয়ে D. বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে। Ans. B

102. একটি স্তূপ পর্বতের উদাহরণ হল— A. হিমালয় B. সাতপুরা C. ভিসুভিয়াস D. রকি। Ans. B

103. পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয়— A. পামির মালভূমিকে B. তিব্বত মালভূমিকে C. আরব মালভূমিকে D. লাদাখ মালভূমিকে। Ans. A

104. ভারতের একটি লাভা মালভূমির উদাহরণ হল— A. লাদাখ মালভূমি B. ছোটোনাগপুর মালভূমি C. দাক্ষিণাত্য মালভূমি D. মেঘালয় মালভূমি। Ans. C

105. পেডিমেন্ট ভূমিরূপ গঠিত হয়— A. হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে B. নদীর ক্ষয়ের ফলে C. সমুদ্র তরঙ্গের ক্ষয়ের ফলে D. বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে। Ans. D

106. লোয়েস সমভূমি একধরনের – A. ক্ষয়জাত সমভূমি B. সঞ্চয়জাত সমভূমি C. ভূ-আন্দোলনের ফলে সৃষ্ট সমভূমি D. কোনোটিই নয়। Ans. B

107. ভারতের একটি আগ্নেয় পর্বত – A. ব্যারেন B. বিন্ধ্য C. নাগা D. মৌনালোয়া। Ans. A

108. ইউরেশীয় ও আফ্রিকা পাতের সংঘর্ষের ফলে আল্পস পর্বতমালার উৎপত্তি হয়েছে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

109. একমাত্র ______ শিলাতেই জীবাশ্ম দেখা যায়। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. পাললিক

110. এশিয়ার দুটি পর্বতগ্রন্থির নাম লেখো। (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. পামির গ্রন্থি ও আর্মেনীয় গ্রন্থি।

111. আগ্নেয় পর্বতের যে অংশ দিয়ে অগ্ন্যুৎপাত হয় তাকে জ্বালামুখ বলে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

112. গ্রাবেন কোথায় দেখা যায়? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী নিম্নস্থানে।

113. প্লাবন সমভূমি তৈরির জন্য পাত সঞ্চরণের ভূমিকা প্রধান। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

114. মালভূমিকে টেবিলল্যান্ড বলা হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

115. ভারতের দ্বিতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ কোনটি? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. কাঞ্চনজঙ্ঘা।

116. পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ কোনটি? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. গঙ্গাব্ৰত্মপুত্র নদীর বদ্বীপ।

117. ছোটোনাগপুর মালভূমি একটি ব্যবচ্ছিন্ন সমভূমি। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

118. প্রাচীন সমভূমি শিল্ড নামে পরিচিত। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

119. ভারতের একটি স্তূপ পর্বতের নাম লেখো। (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. সাতপুরা।

120. সমপ্রায় সমভূমির মধ্যে ক্ষয়প্রাপ্ত অবশিষ্টাংশকে কী বলে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. মোনাডনক।

121. মালভূমিকে টেবিলল্যান্ড বলা হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

122. হিমালয় কোন্ যুগে সৃষ্ট ভঙ্গিল পর্বত? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. টার্শিয়ারি।

123. আর্মেনীয় গ্রন্থি থেকে হিমালয় পর্বত সৃষ্টি হয়েছে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা।

124. পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি – A. বৃত্তাকার B. উপবৃত্তাকার C. অভিগত গোলকের ন্যায় D. আয়তাকার। Ans. C

125. পৃথিবীর গভীরতম অঞ্চল – A. মারিয়ানা খাত B. সুন্দা খাত C. সেন্ট লুইস খাত D. কুমেরু অঞ্চল। Ans. A

126. পৃথিবীকে বলা হয়— A. লাল গ্রহ B. বামন গ্রহ C. নীল গ্রহ D. কোনোটিই নয়। Ans. C

127. বর্তমানে সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা – A. 3টি B. 5টি C. 7টি D. 8টি। Ans. D

128. দুরবীন যন্ত্র আবিষ্কার করেন— A. কেপলার B. গ্যালিলিয়ো গ্যালিলি C. নিউটন D. এডমান্ড হ্যালি। Ans. B

129. প্রাচীনযুগে মানুষের ধারণা ছিল পৃথিবী – A. গোলাকার B. অভিগত গোলাকার C. সমতল D. চৌকো। Ans. C

130. বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা— A. 5টি B. 6টি C. 4টি D. 3টি। Ans. A

131. পৃথিবীর স্থলভাগের সর্বোচ্চ অঞ্চল – A. মাউন্ট এভারেস্ট B. পামির মালভূমি C. তিব্বত মালভূমি D. সুমেরু অঞ্চল। Ans. A

132. বলয়যুক্ত গ্রহ হল— A. শনি B. পৃথিবী C. বুধ D. শুক্র। Ans. A

133. পৃথিবীর কক্ষপথের পরিধি হল— A. 96 কোটি কিমি B. 110 কোটি কিমি C. 14 কোটি 70 লক্ষ কিমি D. 15 কোটি 20 লক্ষ কিমি। Ans. A

134. জিওয়েড কথার অর্থ— A. অভিগত গোলক B. সম্পূর্ণ গোলক C. চ্যাপটা D. পৃথিবীর মতো। Ans. D

135. পথিবীর নিরক্ষীয় ও মেরু ব্যাসের মধ্যে পার্থক্য – A. 40 কিমি B. 42 কিমি C. 43 কিমি D. 45 কিমি। Ans. C

136. পৃথিবীর চারিদিকে চাদের ঘুরতে সময় লাগে— A. 36 দিন B. 20 দিন C. 27 দিন D. 27 দিন। Ans. D


137. বেডফোর্ড খালের পরীক্ষা করেন— A. ওয়ালেস B. টরিসেলি C. ফুকো D. গ্যালিলিয়ো। Ans. A

138. পৃথিবী গোল প্রথম বলেন— A. প্লেটো B. পিথাগোরাস C. অ্যারিস্টটল D. স্ট্রাবো। Ans. B

139. সূর্যরশ্মির পতনকোণের তারতম্যের ভিত্তিতে পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেন— A. স্ট্র্যাবো B. অ্যারিস্টটল C. এরাটোসথেনিস D. প্লেটো। Ans. C

140. পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি— A. নিরক্ষীয় প্রদেশে B. সমুদ্র সমতলে C. পর্বতচূড়ায় D. মেরুতে। Ans. D

141. নীল গ্রহ বলা হয়— A. পৃথিবীকে B. শনিকে C. শুক্রকে D. মঙ্গলকে। Ans. A

142. চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

143. পৃথিবীর সবচেয়ে নীচু স্থানের নাম কী? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. মারিয়ানা খাত।

144. নক্ষত্রগুলির নিজস্ব আলো নেই। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

145. বস্তুর ওজন সবসময় মেরু অঞ্চলে কম হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

146. সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. বুধ।

147. সৌরজগতে আয়তনে বৃহত্তম গ্রহ কোনটি? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. বৃহস্পতি।

148. উপগ্রহ নেই এমন দুটি গ্রহের নাম লেখো। (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. বুধ ও শুক্র।

149. GPS ব্যবহারের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কয়টি উপগ্রহের প্রয়োজন? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. 3টি।

150. পৃথিবীর কৌণিক মানের সমষ্টি ______ । (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. 360°

151. আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে GPS-এর প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী কেন্দ্র অবস্থিত। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

152. সৌরজগতের কোন্ গ্রহকে ‘লাল গ্রহ’ বলা হয়? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. মঙ্গলকে।

153. সৌরজগতের গ্রহগুলির মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতে মানুষের বিকাশ ঘটেছে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

154. এরাটোসথেনিসের মতে পৃথিবীর পরিধি কত? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. 46,250 কিমি।

155. পৃথিবী থেকে সূর্যের মধ্যে সর্বাধিক দূরত্ব কত? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. 15 কোটি 20 লক্ষ কিমি।

156. অনুসূর অবস্থানে সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে দুরত্ব থাকে— A. 15 কোটি কিমি B. 14 কোটি কিমি C. 15.20 কোটি কিমি D. 14.70 কোটি কিমি। Ans. D

157. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে গ্রীষ্মকাল শুরু হয়- A. জুন মাসে B. জুলাই মাসে C. ডিসেম্বর মাসে D. সেপ্টেম্বর মাসে। Ans. C

158. উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত্রি হয়— A. 21 মার্চ B. 23 সেপ্টেম্বর C. 21 জুলাই D. 22 ডিসেম্বর। Ans. D

159. বুধের একবার আবর্তনে সময় লাগে— A. 55 ঘণ্টা B. 58 ঘণ্টা C. 58 দিন 15 ঘণ্টা D. 59 দিন। Ans. C

160. অধিবর্ষে সামগ্রিক বছরটি হল— A. 363 দিন B. 364 দিন C. 365 দিন D. 366 দিন। Ans. D

161. সারাবছরই প্রায় দিনরাত্রি সমান— A. নিরক্ষীয় অঞ্চলে B. সুমেরু অঞ্চলে C. কুমেরু অঞ্চলে D. মধ্য অক্ষাংশীয় অঞ্চলে। Ans. A

162. পৃথিবীর অনুসূর অবস্থানের দিনটি হল— A. 3 জানুয়ারি B. 4 জানুয়ারি C. 21 মার্চ D. 23 সেপ্টেম্বর। Ans. A

163. মকরসংক্রান্তিতে মকরক্রান্তিরেখায় সূর্যরশ্মির সর্বাধিক পতনকোণ হয়— A. 90° B. 66.5° C. 47° D. 43°। Ans. A

164. পৃথিবীর গতির সংখ্যা— A. একটি B. দুটি C. তিনটি D. চারটি। Ans. B

165. সূর্যের উত্তরায়ণ শেষ হয়— A. 22 জুলাই B. 21 জুলাই C. 21 জুন D. 21 মার্চ। Ans. C

166. পৃথিবীর সূর্যকে পরিক্রমণের গতিকে বলা হয়— A. আহ্নিক গতি B. আপাত গতি C. বার্ষিক গতি D. দৈনিক গতি। Ans. C

167. পৃথিবীর বার্ষিক গতির সময়কাল প্রায়— A. 364 দিন B. 360 দিন C. 365 দিন D. 367 দিন। Ans. C

168. মহাবিষুব হয়— A. 21 মার্চ B. 21 জুন C. 23 সেপ্টেম্বর D. 22 ডিসেম্বর। Ans. A

169. পৃথিবীর অক্ষরেখা কক্ষতলের সঙ্গে যে কোণে অবস্থান করে তা হল – A. 23° B. 30° C. 60° D. 66.5°। Ans. D

170. আবর্তন গতির জন্য হয়— A. দিনরাত্রি B. দিনরাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি C. বছর গণনা D. ঋতুপরিবর্তন। Ans. A

171. মকরসংক্রান্তির দিন হল— A. 21 মার্চ B. 21 জুলাই C. 22 ডিসেম্বর D. 25 ডিসেম্বর। Ans. C

172. পৃথিবীতে ঋতুপরিবর্তন হয় না – A. নিরক্ষীয় অঞ্চলে B. ক্রান্তীয় অঞ্চলে C. উপক্ৰান্তীয় অঞ্চলে D. মেরু অঞ্চলে। Ans. A

173. আবর্তন গতির জন্য হয়— A. দিনরাত্রি B. দিনরাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি C. বছর গণনা D. ঋতুপরিবর্তন। Ans. A

174. 1° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয়— A. 4 মিনিট B. 60 মিনিট C. 1 ঘণ্টা D. 2 ঘণ্টা। Ans. A

175. জলবিষুবের দিনটি হল— A. 23 জুন B. 23 আগস্ট C. 23 সেপ্টেম্বর D. 23 নভেম্বর। Ans. C

176. মহাবিষুব হয়— A. 21 মার্চ B. 21 জুন C. 23 সেপ্টেম্বর D. 22 ডিসেম্বর। Ans. A

177. উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন – A. শীতকাল B. গ্রীষ্মকাল C. বসন্তকাল D. শরৎকাল। Ans. C

178. নিরক্ষরেখায় দীর্ঘতম দিন হল— A. 11 ঘণ্টা B. 12 ঘণ্টা C. 13 ঘণ্টা D. 12.5 ঘণ্টা। Ans. B

179. বিষুব অর্থ কী? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. সমান।

180. ‘অরোরা অস্ট্রালিস’ কোথায় দেখা যায়? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. দক্ষিণমেরুতে।

181. টলেমি পৃথিবীকেন্দ্রিক মহাবিশ্ব ধারণার পক্ষে মত দেন। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

182. 21 মার্চ থেকে 23 সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সূর্যকে আমরা দক্ষিণে সরতে দেখি। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

183. পৃথিবীর কক্ষপথটি উপবৃত্তাকার। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

184. আবর্তনের ফলে গতিশীল পদার্থের গতিবিক্ষেপ হয়— এই সুত্রটি কে আবিষ্কার করেন? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. কোরিওলিস, 1835 সালে।

185. পৃথিবীর আবর্তনের জন্যই পৃথিবীর আকৃতি অভিগত গোলকের মতো। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

186. অহ্ন কথার অর্থ ______। (শূন্যস্থান পূরন করো)। Ans. দিন

187. অপসূর অবস্থানে পৃথিবীর পরিক্রমণ বেগ কমে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

188. জারণ প্রক্রিয়ায় কোন গ্যাসীয় উপাদান প্রয়োজন হয়? উ:- অক্সিজেন।

189. ভারতের নিম্নলিখিত কোন অঞ্চল সর্বাধিক ভূমিকম্পপ্রবণ -হিমালয়।

190. পোড়ামাটির পুতুল ও মূর্তি বিশ্ববিখ্যাত – বিষ্ণুপুর(কৃষ্ণনগর)।

191. তুষার ঝড় সবচেয়ে বেশি হয় - মেরু অঞ্চলে।

192. সুনামী কোন ভাষার শব্দ? উ:- জাপানি শব্দ।

193. জল জমে বরফ হলে কতটা বাড়ে? উ:- 9 শতাংশ।

194. ভারতের প্রথম পাটকল স্থাপিত হয় - হুগলিতে।

195.  উত্তর পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হল - শিলিগুড়ি।

196.  কলকাতার পরিপূরক বন্দর হল - হলদিয়া।

197. শৈলশহরের রানী বলা হয় - দার্জিলিঙকে।

198. মিলিয়ন শহরের জনসংখ্যা হয় - 10 লক্ষর বেশি।

199. পশ্চিমবঙ্গের ধানভান্ডার বলা হয় - বর্ধমানকে।

200. ধান উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ ভারতে - প্রথম।

201. পশ্চিমবঙ্গ কোন ধানের চাষ সবচেয়ে বেশি হয় - আমন ধান।

202. পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় লু বয় - পুরুলিয়া।

203. পশ্চিমবঙ্গে কালবৈশাখী হয় - গ্রীষ্মকালে।

204. পশ্চিমবঙ্গের দুঃখ বলা হয় - দামোদরকে।

205. দ্বারকেশ্বর ও শিলাবতীর মিলিত প্রবাহ - রূপনারায়ন।

206. উত্তরবঙ্গের ত্রাসের নদী হল - তিস্তা।

207. কেলেঘাই ও কংসাবতীর মিলিত প্রবাহ - হলদি।

208. পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল - সান্দাকফু।

209. পশ্চিমবঙ্গের মোট জেলা হল - 23 টি।

210.  পশ্চিমবঙ্গের নবতম জেলা হল - ঝাড়গ্রাম।

211. ভারতের প্রাচীনতম তৈলখনি হল - ডিগবয়।

212.  ভারতেরবৃহত্তম তৈল খনি হল- বোম্বে হাই।

213. সাদা কয়লা বলা হয় - জলবিদ্যুৎকে।

214. কোক কয়লা তৈরি হয় - বিটুমিনাস থেকে।

215.  ভারতেরবৃহত্তম কয়লাখনি হল - ঝরিয়া।

216. সম্পদের প্রকৃত জননী হল - মানুষের জ্ঞান।

217.  পেনিপ্লেনের অনুচ্চ টিলা হল - মোনাডনক।

218.  পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হল - পামীর।

219. পর্বতের যে ঢালে বৃষ্টি হয় - প্রতিবাত ঢাল।

220. ভূমধ্যসাগরের আলোকস্তম্ভ বলা হয় - স্ট্রম্বলিকে।

221. পাতসংস্থান তত্বের জনক হলেন - পিচো।

222. অক্ষরেখার অপর নাম - সমাক্ষরেখা।

223. দ্রাঘিমা রেখার অপর নাম - দেশান্তর রেখা।

224.  এক ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় - চার মিনিট।

225.  কোন স্থান ও তার প্রতিপাদ স্থানের সময়ের পার্থক্য হয় - 12 ঘন্টা।

226. প্রতিটি দ্রাঘিমা কত ডিগ্রি কোন উৎপন্ন করে - 180 ডিগ্রি।

227. গিনিচের সময় নির্নয়ক ঘড়ি হল - ক্রনোমিটার।

228.  ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমা - 82 ডিগ্রি 30 মিনিট।

229. গিনিচের সঙ্গে ভারতের প্রমাণ সময়ের পার্থক্য - সাড়ে পাচ ঘন্টা।

230. সব দুর্যোগের অন্তিম পর্যায় হল বিপর্যয়।উ:- শুদ্ধ।

HISTORY 

1. ভেটো (Veto) কথার অর্থ – A. প্রস্তাব নাকচ করা B. প্রস্তাব দিতে বাধা দেওয়া C. প্রস্তাব স্বাক্ষর করা D. প্রস্তাব দিতে বাধা দেওয়া। Ans. A

2. জাতিসংঘে সোভিয়েত রাশিয়া যোগদান করে— A. 1920 খ্রিস্টাব্দে B. 1922 খ্রিস্টাব্দে C. 1926 খ্রিস্টাব্দে D. 1934 খ্রিস্টাব্দে। Ans. D

3. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের বর্তমান মহাসচিব হলেন— A. ট্রিগভি লি B. বান কি মুন C. কোফি আন্নান D. হ্যামার ফিয়েল্ড। Ans. B

4. নিরাপত্তা পরিষদে মোট সদস্য সংখ্যা কত? A. 5 B. 10 C. 11 D. 12। Ans. C

5. জাতিপুঞ্জের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা – A. 5 B. 10 C. 8 D. 12। Ans. A

6. আন্টলান্টিক সনদ সাক্ষরিত হয়— A. 1941 খ্রিস্টাব্দে B. 1943 খ্রিস্টাব্দে C. 1945 খ্রিস্টাব্দে D. 1948 খ্রিস্টাব্দে। Ans. A

7. লিগ অফ নেশনস-এ যে দেশটি শেষপর্যন্ত যোগদান করেনি— A. ইংল্যান্ড B. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র C. ইটালি D. জাপান। Ans. B

8. জাতিসংঘের জনক নামে যিনি পরিচিত ছিলেন – A. লয়েড জর্জ B. জর্জ ক্লিমেশো C. ভিআই লেনিন D. উড্রো উইলসন। Ans. D

9. জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা – A. 10 B. 12 C. 15 D. 18। Ans. C

10. জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল— A. 1918 খ্রিস্টাব্দে B. 1919 খ্রিস্টাব্দে C. 1920 খ্রিস্টাব্দে D. 1921 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

11. বিসমার্ক এমস্ টেলিগ্রাম মারফত ইটালিকে যুদ্ধের ফাঁদে ফেলেন । উ:- মিথ্যা।

12. গ্রিক জাতীয়তাবাদের উন্মেষে হেটাইরিয়া ফিলকের বিশেষ ভূমিকা ছিল । উ:- সত্য।

13. কার্ল মার্কস বলেছেন রাষ্ট্র হল শ্রেণি শোষণের যন্ত্র ।উ:- সত্য।

14. জাতিসংঘের পতন হয় 1946 খ্রিস্টাব্দে । উ:- মিথ্যা।

15. আমেরিকা নাগাসাকিতে ' ফ্যাটম্যান ' নামে পারমাণবিক বোমা ফেলেছিল ।উ:- সত্য।

16. আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের বিচারপতিরা ন - বছরের জন্য নির্বাচিত হন ।উ:- সত্য।

17.  1917 খ্রিস্টাব্দে রুশ বিপ্লবের কালে জার ছিলেন দ্বিতীয় নিকোলাস ।উ:- সত্য।

18. জাতিসংঘের খসড়া সংবিধান লিগ কভেনান্ট।উ:- সত্য।

19. ফ্রাংকো ছিলেন জার্মান সেনানায়ক।উ:- মিথ্যা।

20. জাতিসংঘ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে তৈরি হয়।উ:- সত্য।

21. এপ্রিল থিসিস ঘোষনা করেন লেনিন।উ:- সত্য।

22. ফুয়েরার হিটলারের উপাধী।উ:- সত্য।

23.  বুরবো রাজারা ছিল একছত্র ক্ষমতার অধিকারী।উ:- সত্য।

24. ভারত ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রত্ন।উ:- সত্য।

25.  কার্ল মার্কস বলেছেন রাষ্ট্র হল শ্রেণি শোষনের যন্ত্র।উ:- সত্য।

26. মুসোলিনি নাৎসিবাদের সূচনা ঘটান।উ:- মিথ্যা।

27.  ইতালিতে জোলভেরাইন নামক শুল্ক সংঘ গঠিত হয়।উ:- সত্য।

28. ঘেটো হল শিল্প বিপ্লব কালে শহরের ছোট অঞ্চল।উ:- সত্য।

29. নেপোলিয়ন তার ভাই জেরেম বোনাপার্টকে দক্ষিণ ইতালির সিংহাসনে বসান।উ:- সত্য।

30. লিটল বয় একটি পারমাণবিক বোমা।উ:- সত্য।

31. ইউরোপের রুগ্ন মানুষ বলা হয় - তুরস্ককে।

32. প্রভাদা ছিল - বলশেভিক দলের মুখপত্র।

33.  শান্তি- জমি- রুটি স্লোগানটি জনপ্রিয় হয় - বলশেভিক বিপ্লবের সময়।

34.  ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারি নীতি নিয়েছিল - আমেরিকা।

35.  জাতিপুঞ্জের সদর দপ্তর - নিউ ইয়র্ক এ।

36.  অ্যাসাইনেট হল - এক ধরনের কাগজের নোট।

37. ইনটেন্টডেন্টদের পদগুলি দখল করেছিল - অভিজাতরা।

38.  নেপোলিয়ন প্রথমবার নির্বাসিত হন - এলবা দ্বীপে।

39.  দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের প্রবক্তা - কার্ল মার্কস।

40.  ফ্রান্সকে ভ্রান্ত অর্থনীতির যাদুঘর বলেছেন - অ্যাডাম স্মিথ।

41.  রোবসপিয়র ছিলেন - জ্যাকোবিন নেতা।

42. দ্বিতীয় জাস্টিনিয়ান বলা হয় - নেপোলিয়নকে।

43.  নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে পোড়ামাটি নীতি গ্রহন করে - রাশিয়া।

44. নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধ ছিল - ওয়াটারলুর যুদ্ধ।

45. হিটাইরিয়াফিলিকে প্রতিষ্ঠা করেছেন - স্কুপাস নামক গ্রিক ব্যবসায়ী।

46. ক্রিমিয়ারযুদ্ধ কত বছর ধরে চলছিল? উ:- তিন বছর ধরে।

47. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহড়া বলা হয় - স্পেনের গৃহযুদ্ধকে।

48.  কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো গ্রন্থটি রচনা করেন - মার্কস এঙ্গেলস।

49.  টিলজিটের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয় - 1807 খ্রিঃ।

50.  বলকান অঞ্চলে উষ্ণজল নীতি গ্রহণ করে - রাশিয়া।

51. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু  হয় - 1914 খ্রিঃ 24 শে জুলাই।

52. ব্যাংক অব ফ্রান্স প্রতিষ্ঠা করেন - নেপোলিয়ন।

53.  নাৎসি দলের সংগীত রচয়িতা ছিলেন - হস্ট ওয়েলেস।

54.  ফরাসি বিপ্লবের আদর্শ ছিল - সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতা।

55. জুলাই বিপ্লব কোন রাজবংশের পতন ঘটায়? উ:- বুরবো রাজবংশের।

56.  অসিয়া রেজিম কথার অর্থ হল - পুরাতনতন্ত্র।

57.  আমিই রাষ্ট্র কথাটি বলেছেন - চতুর্দশ লুই।

58. ফ্রান্সে ' গ্যাবেল " ছিল একধরনের- লবন কর।

59. অষ্টাদশ শতকের ফ্রান্স ছিল একটি - কৃষিনির্ভর দেশ।

60.  নেপোলিয়ন সারাজীবনের জন্য কনসাল পদে নিযুক্ত হন - 1802 খ্রিস্টাব্দে।

61. চাটিস্ট আন্দোলন হয়েছিল - ইংল্যাণ্ডে।

62.  জেমস ওয়াট আবিষ্কার করেন - বাস্পচালিত ইঞ্জিন।

63.  সোভিয়েত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নাম- ডুমা।

64. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন - এরিক ড্রুমন্ড।

65.  জাতিপুঞ্জ দিবস হিসেবে পালিত হয় - 24 শে অক্টোবর দিনটি।

66. সন্ত্রাসের রাজত্বে ব্যবহার হওয়া যন্ত্রটি হল - গিলোটিন।

67. স্পিনিং জেনি আবিষ্কার করেন - হারগ্রিভস।

68.  প্যারিস শান্তি সম্মেলন হয়েছিল –  1919 খ্রিস্টাব্দে।

69.  বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাটি হল— WHO।

70. পার্ল হারবার ছিল—  মার্কিন নৌ-ঘাঁটি।

71. আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় –  1941 খ্রিস্টাব্দে।

72.  যার হাতে বল, সেই রাষ্ট্র পরিচালনার অধিকারী—উক্তিটি হল – মুসোলিনির।

73. ভার্সাই চুক্তিতে মোট ধারার সংখ্যা ছিল – 440 টি।

74. NATO-এর পুরো কথা হল—North Atlantic Treaty Organisation।

75. জাতিসংঘের জনক নামে যিনি পরিচিত ছিলেন – উড্রো উইলসন।

76. ভেটো (Veto) কথার অর্থ-  প্রস্তাব নাকচ করা।

77. UNO-এর পুরো নাম হল - ইউনাইটেড নেশনস্ অর্গানাইজেশন।

78.  মীর’ ছিল— গ্রাম্য সমিতি।

79. ফুয়েরার” বা ‘প্রধান নেতা’ বলে কাকে সম্বোর্ধিত করা হয়? -হিটলার।

80. ইটালিতে ফ্যাসিস্ট দল গঠন করেন – বেনিতো মুসোলিনি।

81. উনিশ শতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ’ নামে যে দেশটি পরিচিত ছিল— আফ্রিকা।

82.  সেফটি ল্যাম্প’ আবিষ্কার করেন—  হামফ্রি ডেভি।

83. পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর হল সাম্রাজ্যবাদ’– এ কথা বলেছিলেন— কার্ল মার্কস।

84. দুনিয়ার শ্রমিক এক হও’–এরূপ আহ্বান জানান— কার্ল মার্কস।

85. ভারতে কবে রেলপথ প্রর্বতিত হয়? - 1853 খ্রিস্টাব্দে।

86. কূটনীতির যাদুকর বলা হত—  মেটারনিখকে।

87. ডাইরেক্টরি শাসনের সদস্য সংখ্যা ছিল—  5 জন।

88. ক্ষমতা বিভাজন নীতির কথা বলেন  –  মন্তেস্কু।

89. ওয়েলথ অব নেশন গ্রন্থের রচয়িতা হলেন—  অ্যাডাম স্মিথ।

90. পঞ্চদশ লুইকে ‘প্রজাপতি রাজা’ বলা হয়।

91. ফরাসি বিপ্লবের সূচনাকালে ফ্রান্সের রাজা কে ছিলেন? উত্তর। ফরাসি বিপ্লবের সূচনাকালে ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষােড়শ লুই।

92.  প্লেবিয়ান’ কারা? উত্তর ফরাসি বিপ্লবের আগে ফরাসি সমাজের তৃতীয় শ্রেণির মানুষরা ‘প্লেবিয়ান’ নামে পরিচিত ছিল।

93. সামাজিক চুক্তি' (Social Contract) গ্রন্থের রচয়িতা কে?

 উত্তর। সামাজিক চুক্তি’ (Social Contract) গ্রন্থের রচয়িতা হলেন রুশাে।

94.  কুলাক' কাদের বলা হয়? উত্তর রাশিয়ার নতুন জমিদার বা জোতদার শ্রেণিকে কুলাক’ বলা হয়।

95. চোদ্দো দফা নীতি ঘোষণা করেছিলেন— A. উড্রো উইলসন B. লয়েড জর্জ C. ক্লিমেশো D. ভিত্তোরিও অর্লান্ডো। Ans. A

96. হিটলারের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল – A. 1920 খ্রিস্টাব্দে B. 1922 খ্রিস্টাব্দে C. 1923 খ্রিস্টাব্দে D. 1925 খ্রিস্টাব্দে। Ans. D

97. আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে মিত্রপক্ষে যোগ দেয় – A. 1914 খ্রিস্টাব্দে B. 1915 খ্রিস্টাব্দে C. 1916 খ্রিস্টাব্দে D. 1917 খ্রিস্টাব্দে। Ans. D

98. ত্রিশক্তি আঁতাত-এ রাশিয়া যোগ দেয়— A. 1904 খ্রিস্টাব্দে B. 1906 খ্রিস্টাব্দে C. 1907 খ্রিস্টাব্দে D. 1908 খ্রিস্টাব্দে। Ans. C

99. রক্তাক্ত রবিবার কবে ঘটেছিল? A. 1903 খ্রিস্টাব্দে B. 1904 খ্রিস্টাব্দে C. 1905 খ্রিস্টাব্দে D. 1906 খ্রিস্টাব্দে। Ans. C

100. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়— A. 1913 খ্রিস্টাব্দে B. 1914 খ্রিস্টাব্দে C. 1915 খ্রিস্টাব্দে D. 1916 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

101. ‘দুচে’ উপাধিতে ভূষিত হন – A. মুসোলিনি B. হিটলার C. গিওলিট্টি D. নিট্টি। Ans. A

102. ইউরোপে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহড়া’ নামে পরিচিত হল— A. মাঞ্চুরিয়া অভিযান B. আবিসিনিয়া দখল C. স্পেনের গৃহযুদ্ধ D. পোল্যান্ড আক্রমণ। Ans. C

103. ভাইমার প্রজাতন্ত্র কার নেতৃত্বে গঠিত হয়? A. স্ট্রেসম্যান B. ফ্রেডারিক ইবার্ট C. প্যাপেন D. হিন্ডেনবুর্গ। Ans. B

104. এপ্রিল থিসিস” (16 এপ্রিল, 1917 খ্রি) ঘোষণা করেন – A. কেরেনস্কি B. ট্রটস্কি C. লেনিন D. স্ট্যালিন। Ans. C

105. জাতিসংঘের প্রথম অধিবেশন বসে— A. 1919 খ্রিস্টাব্দে B. 1920 খ্রিস্টাব্দে C. 1921 খ্রিস্টাব্দে D. 1922 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

106. নভেম্বর বিপ্লব (1917 খ্রি)-এ রাশিয়ায় সশস্ত্র বিপ্লবে লেনিনের সহযোগী ছিলেন – A. ট্রটস্কি B. জিনোভিয়েভ C. স্ট্যালিন D. কোনোটিই নয়। Ans. A

107. ফুয়েরার নামে কে পরিচিত হন? (এক কথায় উত্তর দাও) Ans. হিটলার ‘ফুয়েরার’ নামে পরিচিত হন।

108. স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় সামরিক বাহিনীর প্রধান ছিলেন জামোরা। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. মিথ্যা

109. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন? (এক কথায় উত্তর দাও) Ans. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন স্যার এরিক ড্রামন্ড।

110. প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে জার্মানির সম্রাট কে ছিলেন? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে জার্মানির সম্রাট ছিলেন কাইজার দ্বিতীয় উইলিয়াম।

111. জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর কোথায় ছিল? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর ছিল জেনেভা শহরে।

112. ‘ইল-দু চে’ উপাধি কে গ্রহণ করেন? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. ‘ইল-দু চে’ উপাধি গ্রহণ করেন বেনিতো মুসোলিনি।

113. জার্মানি কবে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. জার্মানি 2 আগস্ট, 1914 খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

114. জার্মানির উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রচারে ভার্সাই সন্ধির বিশেষ ভূমিকা ছিল। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

115. ফ্রান্সে 1936 খ্রিস্টাব্দে পপুলার ফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)। Ans. সত্য

116. নাতসি দলের পতাকার বিন্যাস কেমন ছিল? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. নাতসি দলের পতাকা ছিল লাল রঙের। আর পতাকার মধ্যে সাদা রঙের অংশে কালো রঙের স্বস্তিকা চিহ্ন আঁকা থাকত।

117. বলশেভিক দলের মুখপত্র (দলীয় পত্রিকার)-এর নাম কী? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. বলশেভিক দলের মুখপত্রের নাম ছিল প্রাভদা।

118. কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল কবে গঠিত হয়? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. 1919 খ্রিস্টাব্দে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল গঠিত হয়।

119. পার্ল হারবারে বোমাবর্ষণ হয়— A. 1940 খ্রিস্টাব্দের 7 ডিসেম্বর B. 1941 খ্রিস্টাব্দের 7 ডিসেম্বর C. 1942 খ্রিস্টাব্দের 9 ডিসেম্বর D. 1943 খ্রিস্টাব্দের 8 ডিসেম্বর। Ans. B

120. প্যারিস শান্তি সম্মেলন হয়েছিল – A. 1916 খ্রিস্টাব্দে B. 1919 খ্রিস্টাব্দে C. 1922 খিস্টাব্দে D. 1925 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

121. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতালির রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন— A. চার্চিল B. হিটলার C. মুসোলিনি D. রুজভেল্ট। Ans. C

122. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলেছিল— A. 4 বছর B. 6 বছর C. 8 বছর D. 10 বছর। Ans. B

123. রুশ-জার্মান অনাক্রমণ চুক্তির মেয়াদ ছিল— A. 15 বছর B. 5 বছর C. 10 বছর D. 20 বছর। Ans. C

124. UNRRA সংগঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন— A. চার্চিল B. মুসোলিনি C. রুজভেল্ট D. হিটলার। Ans. C

125. পার্ল হারবার ছিল— A. রুশ নৌ-ঘাঁটি B. মার্কিন নৌ-ঘাঁটি C. ফরাসি নৌ-ঘাঁটি D. ব্রিটিশ নৌ-ঘাঁটি। Ans. B

126. ‘রোম-বার্লিন অক্ষচুক্তি’র অক্ষ (Axis) শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন – A. হিটলার B. জেনারেল ফ্রাঙ্কো C. মুসোলিনি D. কেউ নয়। Ans. C

127. মার্কিন নৌঘাঁটি পার্ল হারবার ধ্বংস করে দেয়— A. জাপান নৌবহর B. ইটালিয় নৌবহর C. স্পেনীয় নৌবহর D. জার্মান নৌবহর। Ans. A

128. আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় – A. 1941 খ্রিস্টাব্দে B. 1942 খ্রিস্টাব্দে C. 1943 খ্রিস্টাব্দে D. 1944 খ্রিস্টাব্দে। Ans. A

129. ভার্সাই চুক্তিতে মোট ধারার সংখ্যা ছিল – A. 420 টি B. 430 টি C. 440 টি D. 450 টি। Ans. C

130. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য যে সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়— A. জাতিসংঘ B. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ C. আটলান্টিক চার্টার D. নিরাপত্তা পরিষদ। Ans. B

131. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমাণু বোমা ব্যবহার করে – A. জাপান B. ইংল্যান্ড C. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র D. ফ্রান্স। Ans. C

132. হিটলার সমুদ্র সিংহ অভিযান চালিয়েছিল— A. রাশিয়ায় B. পোল্যান্ডে C. ইংল্যান্ডে D. ইটালিতে। Ans. C

133. ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল— A. 1917 খ্রিস্টাব্দে B. 1918 খ্রিস্টাব্দে C. 1919 খ্রিস্টাব্দে D. 1920 খ্রিস্টাব্দে। Ans. C

134. লেনিনগ্রাদ সোভিয়েত রাশিয়ার কোন জারের রাজধানী ছিল? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. পিটার দ্য গ্রেট-এর।

135. কোন্ সন্ধিকে ‘জবরদস্তিমূলক সন্ধি’ বলা হয়? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. ভার্সাই সন্ধিকে।

136. গোয়েবলস কে ছিলেন? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. হিটলারের প্রচারসচিব।

137. NATO-র পুরো নাম কী? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. NATO-এর পুরো কথা হল—North Atlantic Treaty Organisation.

138. রাশিয়া কবে লিগের সদস্যপদ ত্যাগ করে? (এক কথায় উত্তর দাও)। Ans. 1939 খ্রিস্টাব্দে।

139. নৈরাজ্যবাদের জনক নামে কে পরিচিত? – A. সাঁ সিমোঁ B. চার্লস ফুরিয়ার C. অগাস্ত ব্লাঙ্কি D. জোসেফ পুধোঁ। Ans. D

140. ব্ৰত্মদেশ ভারত উপনিবেশের অন্তর্ভুক্ত হয়— A. 1858 খ্রিস্টাব্দে B. 1870 খ্রিস্টাব্দে C. 1875 খ্রিস্টাব্দে D. 1885 খ্রিস্টাব্দে। Ans. D

141. জার্মানির জোলভেরাইন গড়ে উঠেছিল— A. 1830 খ্রিস্টাব্দে B. 1834 খ্রিস্টাব্দে C. 1836 খ্রিস্টাব্দে D. 1840 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

142. উনিশ শতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ’ নামে যে দেশটি পরিচিত ছিল— A. এশিয়া B. আফ্রিকা C. ইউরোপ D. আমেরিকা। Ans. B

143. ফ্রান্সে রেলপথ নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রথম যে সম্রাট বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেন – A. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট B. লুই ফিলিপ C. তৃতীয় নেপোলিয়ন D. অ্যাডলফ থিয়ার্স। Ans. C

144. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ ছিল— A. ফ্রান্স-জার্মানি সংঘাত B. ইংল্যান্ড-জার্মানি সংঘাত C. অস্ট্রিয়া-ফ্রান্স সংঘাত D. সেরাজেভো হত্যাকাণ্ড। Ans. D

145. ‘কঙ্গো-ফ্রি-স্টেট’ গঠনের ক্ষেত্রে প্রধান উদ্যোগী দেশটি হল— A. পোর্তুগাল B. হল্যান্ড C. স্পেন D. ইংল্যান্ড। Ans. C

146. ‘ওয়েল্ট পলিটিক’ নীতি গ্রহণ করেছিল— A. অটো ফন বিসমার্ক B. কাইজার দ্বিতীয় উইলিয়াম C. ক্লিমেশো D. ফ্রেডারিক হিবার্ট। Ans. B

147. শিল্পবিপ্লবের ফলে যে সভ্যতা গড়ে ওঠে তার নাম হল— A. বাণিজ্য সভ্যতা B. সামন্ত সভ্যতা C. শিল্পাশ্রয়ী সভ্যতা D. শ্রমিক সভ্যতা। Ans. C

148. কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’ প্রকাশিত হয়েছিল— A. 1840 খ্রিস্টাব্দে B. 1847 খ্রিস্টাব্দে C. 1848 খ্রিস্টাব্দে D. 1850 খ্রিস্টাব্দে। Ans. C

149. শিল্প প্রসারের প্রয়োজনীয় দুই ধাতু কয়লা ও লোহা যে দেশে অধিক সহজলভ্য ছিল— A. ইংল্যান্ড B. ফ্রান্স C. জার্মানি D. বেলজিয়াম। Ans. C

150. সেফটি ল্যাম্প’ আবিষ্কার করেন— A. জেমস ওয়াট B. জন, কে C. জেমস হারগ্রিভস D. হামফ্রি ডেভি। Ans. D

151. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল—A. 1914 খ্রিস্টাব্দে B. 1915 খ্রিস্টাব্দে C. 1916 খ্রিস্টাব্দে D. 1917 খ্রিস্টাব্দে। Ans. A

152. ‘পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর হল সাম্রাজ্যবাদ’– এ কথা বলেছিলেন— A. জে, এ হবসন B. কার্ল মার্কস C. ভি আই লেনিন D. লিয়ন ট্রটস্কি। Ans. C

153. ত্রিশক্তি আঁতাত গড়ে উঠেছিল— A. 1904 খ্রিস্টাব্দে B. 1907 খ্রিস্টাব্দে C. 1909 খ্রিস্টাব্দে D. 1919 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

154. ব্ল্যাক হাউন্ড’ বা ‘ইউনিয়ন অব ডেথ’ ছিল— A. একটি রাজনৈতিক সংস্থা B. একটি অর্থনৈতিক সংস্থা C. একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান D. একটি সন্ত্রাসবাদী দল। Ans. D

155. জুঙ্কারগণ যে দেশের বৃহৎ জমিদার ছিলেন— A. ইংল্যান্ডের B. ফ্রান্সের C. জার্মানির D. বেলজিয়ামের। Ans. C

156. ‘দুনিয়ার শ্রমিক এক হও’–এরূপ আহ্বান জানান— A. ফ্রেডারিক এঙ্গেলস B. কার্ল মার্কস C. সাঁ-সিমোঁ D. অগাস্ত ব্ল্যাঙ্কি। Ans. B

157. চিন সম্পর্কে ‘মুক্তদ্বার নীতি’ ঘোষণা করেছিল— A. ইংল্যান্ড – B. ফ্রান্স C. জার্মানি D. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। Ans. D

158. ‘পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর হল সাম্রাজ্যবাদ’– এ কথা বলেছিলেন— A. জে, এ হবসন B. কার্ল মার্কস C. ভি আই লেনিন D. লিয়ন ট্রটস্কি। Ans. C

159. ভারতে কবে রেলপথ প্রর্বতিত হয়? A. 1851 খ্রিস্টাব্দে B. 1853 খ্রিস্টাব্দে C. 1855 খ্রিস্টাব্দে D. 1857 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

160. ভারতে ব্রিটিশ শক্তি প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়েছিল— A. 1765 খ্রিস্টাব্দে B. 1818 খ্রিস্টাব্দে C. 1836 খ্রিস্টাব্দে D. 1857 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

161. সুয়েজ খালের খনন কার্য শুরু হয়— A. 1850 খ্রিস্টাব্দে B. 1856 খ্রিস্টাব্দে C. 1859 খ্রিস্টাব্দে D. 1860 খ্রিস্টাব্দে। Ans. C

162. সমাজতন্ত্রবাদ কথাটি প্রথম প্রয়োগ করেন – A. রবার্ট আওয়েন B. সাঁ সিমো C. কার্ল মার্কস D. প্রুধোঁ। Ans. A

163. শিল্পবিপ্লব কথাটি কে প্রথম ব্যবহার করেন? – A. লুই অগাস্ত ব্ল্যাঙ্কি B. টয়েনবি C. কার্ল মার্কস D. জন স্টুয়ার্ট মিল। Ans. A

164. কমিউনিস্ট লিগ কবে স্থাপিত হয়? A. 1845 খ্রিস্টাব্দ B. 1847 খ্রিস্টাব্দ C. 1849 খ্রিস্টাব্দ D. 1853 খ্রিস্টাব্দ। Ans. B

165. সমাজতন্ত্রবাদ কথাটি প্রথম প্রয়োগ করেন – A. রবার্ট আওয়েন B. সাঁ সিমো C. কার্ল মার্কস D. প্রুধোঁ। Ans. A

166. ভিয়েনা সম্মেলনে মুখ্য চারটি শক্তি ছিল— A. অস্ট্রিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স ও প্রাশিয়া B. অস্ট্রিয়া, ইংল্যান্ড, রাশিয়া ও ফ্রান্স C. অস্ট্রিয়া, রাশিয়া, প্রাশিয়া, ইংল্যান্ড D. ইতালি, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, প্রাশিয়া। Ans. C

167. ইউরোপীয় শক্তি সমবায় স্থাপনের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন— A. ট্যালিরান্ড B. প্রথম আলেকজান্ডার C. ক্যালরি D. মেটারনিখ। Ans. D

168. ইটালির ঐক্য আন্দোলনের জনক ছিলেন— A. ম্যাৎসিনি B. ক্যাভুর C. গ্যারিবল্ডি D. ভিক্টর ইমানুয়েল। Ans. A

169. কার্লসড ডিক্রি’ (1819 খ্রি) জারি করা হয়েছিল— A. ফ্রান্সে B. জার্মানিতে C. গ্রিসে D. বেলজিয়ামে। Ans. B

170. লুই ব্যাঙ্ক, সেন্ট সাইমন ছিলেন— A. প্রজাতন্ত্র B. সমাজতন্ত্র C. রাজতন্ত্র D. একনায়কতন্ত্রের সমর্থক। Ans. B

171. প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্বীকৃতি পায়— A. ভার্সাই সম্মেলন B. ভিয়েনা সম্মেলন C. প্যারিসের সম্মেলন D. জেনেভা সম্মেলন। Ans. B

172. প্লম্বিয়ার্সের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়— A. 1850 খ্রিস্টাব্দে B. 1848 খ্রিস্টাব্দে C. 1858 খ্রিস্টাব্দে D. 1862 খ্রিস্টাব্দে। Ans. C

173. গ্রিসের জাতীয়তাবাদের প্রধান প্রবক্তা কে? – A. কোরায়েস B. মেটারনিখ C. ট্যালিরান্ড D. সেন্ট সাইমন। Ans. A

174. ভিয়েনা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল— A. ইংল্যান্ডে B. প্রাশিয়াতে C. অস্ট্রিয়াতে D. ফ্রান্সে। Ans. C

175. স্যাডোয়ার যুদ্ধ হয়েছিল – A. ফ্রান্স ও প্রাশিয়ার মধ্যে B. ফ্রান্স ও ইটালির মধ্যে C. অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে D. অস্ট্রিয়া ও প্রাশিয়ার মধ্যে। Ans. D

176. কূটনীতির যাদুকর বলা হত— A. বিসমার্ককে B. গ্যারিবল্ডিকে C. মেটারনিখকে D. ক্যাভুরকে। Ans. 

177. লুই ব্যাঙ্ক, সেন্ট সাইমন ছিলেন— A. প্রজাতন্ত্র B. সমাজতন্ত্র C. রাজতন্ত্র D. একনায়কতন্ত্রের সমর্থক। Ans. B

178. জুলাই বিপ্লবের পর ফ্রান্সের সিংহাসনে বসেন – A. দশম চার্লস B. অষ্টাদশ লুই C. লুই ফিলিপ D. লুই নেপোলিয়ন। Ans. C

179. ফ্রান্সের শেষ বুরবোঁ রাজা ছিলেন— A. চতুর্দশ লুইbB. অষ্টাদশ লুইbC. লুই ফিলিপ D. ষোড়শ লুই। Ans. B

180. অষ্টাদশ লুইয়ের মৃত্যু হয়— A. 1824 খ্রিস্টাব্দে B. 1825 খ্রিস্টাব্দে C. 1827 খ্রিস্টাব্দে D. 1826 খ্রিস্টাব্দে। Ans. A

181. জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল— A. ফ্রান্সে B. জার্মানিতে C. ইতালিতে D. রাশিয়ায়। Ans. A

182. মির’ বলতে বোঝায়— A. শাসন পরিষদ B. বিচারসভা C. গ্রামসভা D. পৌরসভা। Ans. C

ফ্রান্সে সন্ত্রাসের রাজত্বে নেতৃত্ব দেন— A. রোবসপিয়ার B. মিরাব্যু C. দাঁতো D. অ্যাবে সিয়েস। Ans. A

183. ফ্রান্স ছিল ‘ভ্রান্ত অর্থনীতির জাদুঘর’ এ কথা বলেছিলেন— A. এডমন্ড বার্ক B. অ্যাডাম স্মিথ C. কুইসনে D. দিদেরো। Ans. B

184. ক্যালোন ছিলেন ফ্রান্সের – A. সেনাপতি B. বিদেশমন্ত্রী C. প্রধানমন্ত্রি D. অর্থমন্ত্রী। Ans. D

185. ফ্রান্সের কর কাঠামোয় ‘গ্যাবেলা’ ছিল— A. ভূমিকর B. উৎপাদন কর C. আয়কর D. লবণ কর। Ans. D

186. সংবিধান সভার নেতৃত্বে ফ্রান্সে ব্যক্তি ও নাগরিকের অধিকার ঘোষিত হয় 1789 খ্রিস্টাব্দে – A. 26 জুন B. 26 আগস্ট C. 14 জুলাই D. 26 সেপ্টেম্বর। Ans. B

187. প্রাক্ বিপ্লবযুগে ফ্রান্সে অর্থলোলুপ নেকড়ে – A. ইনটেনডেন্ট নামক কর্মচারীদের B. বিচারকদের C. অভিজাতদের D. বুর্জোয়াদের। Ans. A

188. ক্ষমতা বিভাজন নীতির কথা বলেন  – A. অ্যাডাম স্মিথ B. রুশো C. ভলতেয়ার D. মন্তেস্কু। Ans. D

189. ‘আমিই রাষ্ট্র’ এ কথা বলেছিলেন – A. চতুর্দশ লুই B. পঞ্চদশ লুই C. ষোড়শ লুই D. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। Ans. A

190. ফ্রান্সে সন্ত্রাসের রাজত্বে নেতৃত্ব দেন— A. রোবসপিয়ার B. মিরাব্যু C. দাঁতো D. অ্যাবে সিয়েস। Ans. A

191. ফ্রান্সে তৃতীয় সম্প্রদায় নামে পরিচিত ছিল— A. ফ্রান্সের রাজবংশ B. ফ্রান্সের অভিজাত শ্রেণি C. ফ্রান্সের যাজক শ্রেণি D. ফ্রান্সের সাধারণ জনগণ। Ans. D

192. ফিজিওক্র্যাটুগণ ছিলেন একশ্রেণির – A. রাজনীতিবিদ B. অর্থনীতিবিদ C. সাহিত্যিক D. দার্শনিক। Ans. B

193. ফ্রান্সে অষ্টাদশ শতকে শাসন করত— A. বুরবো বংশ B. অটোমান বংশ C. ক্যারোলিঞ্জিয় বংশ D. অর্লিয়েন্স বংশ। Ans. A

194. রবার্ট পামার এর মতে ফরাসি বিপ্লব আসলে – A. বিশ্ব বিপ্লব B. ইউরোপীয় বিপ্লব C. মহাদেশীয় বিপ্লব D. কোনো বিপ্লবই নয়। Ans. B

195. শেষবারের মতো স্টেটস জেনারেলের অধিবেশন বসেছিল— A. 1789 খ্রিস্টাব্দে B. 1614 খ্রিস্টাব্দে C. 1641 খ্রিস্টাব্দে D. 1714 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

196. ফরাসি বিপ্লব হয়েছিল— A. 1786 খ্রিস্টাব্দে B. 1789 খ্রিস্টাব্দে C. 1790 খ্রিস্টাব্দে D. 1799 খ্রিস্টাব্দে।  Ans. B

197. কোড নেপোলিয়ন ঘোষিত হয় – A. 1806 খ্রিস্টাব্দে B. 1807 খ্রিস্টাব্দে C. 1808 খ্রিস্টাব্দে D. 1809 খ্রিস্টাব্দে। Ans. B

198. নেপোলিয়ন নিজেকে ফরাসি জাতির সম্রাট’ বলে ঘোষণা করেন— A. 1802 খ্রিস্টাব্দে B. 1803 খ্রিস্টাব্দে C. 1804 খ্রিস্টাব্দে D. 1805 খ্রিস্টাব্দে। Ans. C

199. সাইবেরিয়া উপদ্বীপে যুদ্ধের মূল কারণ ছিল— A. ফ্রান্সের হস্তক্ষেপ B. ইংল্যান্ডের হস্তক্ষেপ C. রাশিয়ার হস্তক্ষেপ D. অস্ট্রিয়ার হস্তক্ষেপ। Ans. A

200. ‘রাইন-রাষ্ট্রসংঘ’ বা কনফেডারেশন অব দি রাইন গঠিত হয়— A. 1806 খ্রিস্টাব্দে B. 1808 খ্রিস্টাব্দে C. 1809 খ্রিস্টাব্দে D. 1810 খ্রিস্টাব্দে। Ans. A


Ix Bengali

 ■ বাংলা ■ 

1.  'মন দিয়ে লেখাপড়া করবে।'- এটি ক্রিয়ার কোন্ কাল?-- (ক) ঘটমান বর্তমান (খ) সাধারণ ভবিষ্যৎ (গ) পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ (ঘ) ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা

2. বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণকে কী বলে?-- (ক) অঘোষ বর্ণ (খ) মহাপ্রাণ বর্ণ (গ) ঘোষ বর্ণ (ঘ) অল্পপ্রাণ বর্ণ।

3. প্রগত সমীভবনের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল- (ক) গল্পো (খ) ধইরা  (গ) চন্নন (ঘ) মোচ্ছব।

4.  যৌগিক স্বরধ্বনি হল- (ক) উ (খ) আ (গ) ই (ঘ) উ।

5.  'ভেঁপু' শব্দটি কোন্ জাতীয় শব্দ? (ক) দেশি (খ) বিদেশি (গ) সংকর (ঘ) অপশব্দ।

6.  "ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা।"-'ওরে' শব্দটি হল- (ক) বিস্ময়সূচক অব্যয় (খ) সম্বোধনসূচক অব্যয় (গ) অনুকার অব্যয় (ঘ) পদান্বয়ী অব্যয়।

7.  উপসর্গ বসে- (ক) শব্দের আগে (খ) বর্ণের আগে (গ) ধাতুর আগে (ঘ) পদের আগে।

8.  'লুঙ্গি' ও 'বাবা' শব্দ দুটি যে-ভাষার অন্তর্গত, তা হল- (ক) আরবি-ফারসি (খ) বর্মি-তুর্কি (গ) পেরু-ফরাসি (ঘ) মিশরীয়-স্পেনীয়

9. "আবার তোরা মানুষ হ”-এই বাক্যে 'মানুষ হ' হল- (ক) মৌলিক ধাতুর উদাহরণ (খ) প্রযোজক ধাতুর উদাহরণ (গ) বহুপদ বা সংযোগমূলক ধাতুর উদাহরণ (ঘ) নামধাতুর উদাহরণ

10. 'দুরাশা' শব্দটিতে উপসর্গ হল- (ক) দু (খ) দুর্ (গ) দুরা, (ঘ) দুঃ

11., যৌগিক ক্রিয়ায়- (ক) একটি মৌলিক ধাতু থাকে (খ) একটি প্রযোজক ধাতু থাকে (গ) একটি অসমাপিকা ক্রিয়া থাকে (ঘ) একটি ধ্বন্যাত্মক ধাতু থাকে

12.  'অপত্য বা পুত্র' অর্থে ব্যবহৃত প্রত্যয়টি হল- (ক) স্নিক (খ) স্নি (গ) স্বীয় (ঘ) স্নায়ন

13.  'মাস্টারি' শব্দটিতে যে-সংমিশ্রণ ঘটেছে তা হল- (ক) ইংরেজি + দেশি (খ) ইংরেজি + বিদেশি উপসর্গ (গ) ইংরেজি + তৎসম (ঘ) ইংরেজি + বাংলা প্রত্যয়

14. এদের মধ্যে কোনটি সম্বন্ধপদ? (ক) তাড়াতাড়ি শেষ করা (খ) নানা রঙের দিন (গ) পঁচিশে বৈশাখ (ঘ) ধীরে ধীরে চলো

15. দুটি অব্যয় পদ মিলে হয়- (ক) অনুকার অব্যয় (খ) সংযোজক অব্যয় (গ) প্রশ্নসূচক অব্যয় (ঘ) সাপেক্ষ শব্দজোড়

16.  বাক্যের কার্যবোধক পদ ও বাক্যের প্রধান অঙ্গ হল -- (ক) শব্দ (খ) বিভক্তি (গ) ধাতু (ঘ) ক্রিয়া

17.  নির্দেশক ভাব ব্যবহৃত হয়- (ক) অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালে (গ) অতীত ও বর্তমানকালে (খ) বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালে (ঘ) কোনোটিই নয়

18. অযোগবাহ ধ্বনির অপর নাম হল- (ক) বর্গীয় ধ্বনি (খ) নিরাশ্রয় ধ্বনি (গ) আশ্রয়ভাগী ধ্বনি (ঘ) সংযুক্ত ধ্বনি

19. বাক্য > বাইক-কোন্ জাতীয় ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ? -- (ক) ধ্বনিবিকার (খ) স্বরসংগতি (গ) অপিনিহিতি (ঘ) সমীভবন

20. সংযোগস্থাপনকারী সর্বনামের অপর নাম- (ক) পারস্পরিক (খ) আত্মবাচক (গ) সাপেক্ষ ঘ) যৌগিক

21. ঝমঝমে বৃষ্টি।- রেখাঙ্কিত পদটি কোন্ জাতীয় বিশেষণের উদাহরণ? (ক) একপদী বিশেষণ (খ) শব্দদ্বৈতাশ্রয়ী বিশেষণ (গ) বহুপদী বিশেষণ (ঘ) ধ্বন্যাত্মক বিশেষণ

22. দুটি বাক্যকে এক করে দেয়- (ক) পদান্বয়ী অব্যয় (খ) ধ্বন্যাত্মক অব্যয় গ) সাপেক্ষ শব্দজোড় ঘ) সমুচ্চয়ী অব্যয়

23. বাক্যে উহ্য করতে পারে যে-ক্রিয়াপদ তা- (ক) সমাপিকা (খ) অসমাপিকা (গ) সকর্মক (ঘ) অকর্মক

24.  'তৎসম' শব্দ বলতে বোঝায়- (ক) সমান সমান (খ) বাংলা ভাষার সমান (গ) সংস্কৃতের সমান (ঘ) বিদেশি ভাষার সমান

25. নীচের কোন্ ধ্বনিটি মৌলিক স্বর নয়? -- (ক) অ্যা (খ) আ (গ) ঈ (ঘ) উ

26. বাংলাভাষায় তাড়িত ব্যঞ্জন দুটি হল- (ক) ড়, ঢ় (খ) র, ল্ (গ) চ, ছ (ঘ) হ, ম্

27. দুঃ + অবস্থা = ? (ক) দুরাবস্থা (খ) দুর্বস্থা (গ) দুরবস্থা (ঘ) দুরিবস্থা

28. নীচের কোন্ শব্দটি আগন্তুক শব্দ? -- (ক) গিরি (খ) ইঁদারা (গ) সাঁঝ (ঘ) ঝাঁটা

29.  'চিংড়ি' শব্দের উৎস কী? -- (ক) দেশি (খ) তৎসম (গ) তদ্ভব (ঘ) বিদেশি

30.  'বেআইনি' শব্দে উপসর্গটি কোন্ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? -- (ক) মন্দ অর্থে (খ) নয় অর্থে (গ) পুরো অর্থে (ঘ) প্রত্যেক অর্থে

31.  'বিনয়' শব্দটি কোন্ ধরনের বিশেষ্য? -- (ক) সংজ্ঞাবাচক (খ) গুণবাচক (গ) ক্রিয়াবাচক (ঘ) শ্রেণিবাচক

32. মা শিশুটিকে চাঁদ দেখাচ্ছে-'দেখাচ্ছে' কোন্ ক্রিয়া? -- (ক) প্রযোজক ক্রিয়া (খ) সমাপিকা ক্রিয়া (গ) অসমাপিকা ক্রিয়া (ঘ) সংযোগমূলক ক্রিয়া

33. বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরের সংখ্যা- (ক) এক (খ) তিন (গ) দুই (ঘ) চার

34. 'র' ধ্বনিকে বলা হয়- (ক) তাড়িত ধ্বনি (খ) পার্শ্বিক ধ্বনি (গ) কম্পনজাত ধ্বনি (ঘ) নাসিক্য ধ্বনি

35'  বর্তমানে অপিনিহিতির ব্যবহার সীমাবদ্ধ আছে- (ক) পূর্ববঙ্গে (খ) উত্তরবঙ্গে (গ) পশ্চিমবঙ্গে (ঘ) দক্ষিণবঙ্গে

36. সন্ধিতে যে-মিলন হয়, তা- (ক) অর্থগত (খ) পরম্পরাগত (গ) ধ্বনিগত (ঘ) শব্দগত

37. বাংলা শব্দ ভান্ডারে 'মা' শব্দটি- (ক) তৎসম (খ) তদ্ভব (গ) অর্ধতৎসম (ঘ) দেশি

38. উনান > উনুন'-এখানে ধ্বনি পরিবর্তনের রীতিটি হল- (ক) অভিশ্রুতি (খ) স্বরভক্তি (গ) স্বরসংগতি (ঘ) অপিনিহিতি

39. 'অনুমত্যনুসারে' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হবে- (ক) অনু + মত্যনুসারে (খ) অনুমত + অনুসারে (গ) অনুমতি + অনুসারে (ঘ) অনুমত্য + অনুসারে

40. ং,  :  ধ্বনি দুটিকে বলে- (ক) মহাপ্রাণ ধ্বনি (খ) অল্পপ্রাণ ধ্বনি (গ) আশ্রয়ভাগী ধ্বনি (ঘ) যৌগিক ধ্বনি

41.  'বসে পড়'- এটি যে-ধরনের ধাতু সেটি হল- (ক) যুক্ত ধাতু (খ) যৌগিক ধাতু (গ) নামধাতু (ঘ) প্রয়োজক ধাতু

42. --  + সন্ + আ = জিঘাংসা। (শূন্যস্থান পূরণ করো) (ক) জিঘ (খ) হন্ (গ) জিঘং (ঘ) হাত

43.  'আত্মবাচক সর্বনামের' উদাহরণ হল- (ক) এই (খ) কেউ (গ) নিজে (ঘ) ওই

44. 'প্রত্যয়' শব্দটির অর্থ হল- (ক) বিশ্বাস (খ) অবিশ্বাস (গ) বিভাজন (ঘ) সংযোজন

45. "যেতে পারি কিন্তু যাব না।”- নিম্নরেখ শব্দটি- ক) আলংকারিক অব্যয় (খ) ব্যতিহারিক অব্যয় (গ) প্রশংসাসূচক অব্যয় (ঘ) সংযোজক অব্যয়

46. 'বরণীয় যারা স্মরণীয় তারা'- (ক) পদান্তরিত বিশেষণ (খ) বিশেষণের বিশেষণ (গ) ক্রিয়া বিশেষণ (ঘ) বিশেষ্যের বিশেষণ

47. 'বোধহয়' যে-শ্রেণির অব্যয়, তা হল- (ক) আলংকারিক (খ) সংশয়সূচক (গ) সমর্থনসূচক (ঘ) আবেগসূচক

48.  'দ্যুলোক' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ- (ক) দুঃ + লোক (খ) দিব+ লোক (গ) দ্যু + লোক ঘ) দিব + লোক

49.: বাংলা শব্দভাণ্ডারকে ক-টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে? (ক) দু-টি (খ) তিনটি (গ) চারটি (ঘ) পাঁচটি

50. একটি 'সম্বন্ধবাচক বিশেষণ' হল- (ক) আতরের গন্ধ (খ) পাঁচটা বই (গ) আচ্ছা সে দেখা যাবে (ঘ) বাইশে শ্রাবণ

52.  "দোলের দিন রাঙাইছে সবে সবারে"- কোন্ ধরনের ক্রিয়া প্রযুক্ত হয়েছে? (ক) মৌলিক ক্রিয়া (খ) সংয়োগমূলক ক্রিয়া (গ) প্রযোজক ক্রিয়া (ঘ) নামধাতুজ ক্রিয়া

53.  মর্দ > মরদ-একটি- (ক) স্বরসংগতি (খ) স্বরভক্তি (গ) সমীভবন (ঘ) অপিনিহিতির উদাহরণ

54. 'সাঁঝ' শব্দটি হল- (ক) তদ্ভব শব্দ (খ) তৎসম শব্দ (গ) বিদেশি শব্দ (ঘ) অর্ধতৎসম শব্দ

55. বাংলায় কোন্ শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয় না? ক) অব্যয় (খ) বিশেষ্য (গ) সর্বনাম (ঘ) ক্রিয়া

56. প্রত্যয়ের কাজ হল- (ক) নতুন ধাতু তৈরি করা (খ) নতুন শব্দ তৈরি করা (গ) নতুন পদ তৈরি করা (ঘ) নতুন ক্রিয়া তৈরি করা

57.  'বাগীশ্বরী' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয়- (ক) বাক্ + ঈশ্বরী (খ) বাগ্ + ঈশ্বরী (গ) বাগী + ঈশ্বরী (ঘ) কোনোটাই নয়

58. নীচের কোন ধ্বনিটি তরল স্বর- (ক) ট্ (খ) জ (গ) ত্ (ঘ) ল্

59. শরীর > শরীল কোন্ জাতীয় ধ্বনি পরিবর্তন? (ক) স্বরসংগতি (খ) সমীভবন (গ) বিষমীভবন (ঘ) ব্যঞ্জনসংগতি

60. দেশলাই' শব্দটি উৎসগত দিক থেকে- (ক) পোর্তুগিজ (খ) তৎসম (গ) দেশি (ঘ) তদ্ভব

61.  "সর্বজনীন দুর্গাপুজা বাঙালির জাতীয় উৎসব”- রেখাঙ্কিত পদটি- (ক) সর্বনামীয় বিশেষণ (খ) পদান্তরিত বিশেষণ (গ) কৃদন্ত বিশেষণ (ঘ) একপদী বিশেষণ

62.  "হয়তো সে কাজটি করিয়া থাকিবে”- কোন্ জাতীয় ক্রিয়ার কাল? (ক) ঘটমান অতীত (খ) সাধারণ ভবিষ্যৎ (গ) পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ (ঘ) নিত্যবৃত্ত অতীত

63.  "এখনই পড়তে বসো”- কোন্ জাতীয় ক্রিয়ার ভাব? (ক) সংযোজক (খ) অনুজ্ঞা (গ) নির্দেশক (ঘ) বিয়োজক

64.  "মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গলের খেলা হইবে"- নিম্নরেখ পদটি- (ক) সংযোজক অব্যয় (খ) সংকোচক অব্যয় (গ) বিয়োজক অব্যয় (ঘ) ব্যতিরেক অব্যয়

65.  "নদী আপন বেগে পাগল পারা"- নিম্নরেখ পদটি- (ক) আত্মবাচক সর্বনাম (খ) ব্যক্তিবাচক সর্বনাম (গ) নির্দেশক সর্বনাম (ঘ) ব্যতিহারিক সর্বনাম

1. সমীভবন কাকে বলে?

উ:- পাশাপাশি বা কাছাকাছি উচ্চারিত দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনের একটি অপরটির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে একই বা একই ধরনের ব্যঞ্জনে পরিণত হলে তাকে সমীভবন বা ব্যঞ্জন সংগতি বলে।

সমীভবনের অপর নাম সমীকরণ।

সমীভবনের উদাহরণ হল দুর্গা দুগ্গা, বড়দা বদ্দা, উৎসব উচ্ছব, ধর্ম ধম্ম, বৎসর বচ্ছর, পদ্ম পদ, মহাত্মা > মহাত্তা ইত্যাদি।

2. সমীভবন কয় প্রকার?

উ:- সমীভবন তিন প্রকার প্রগত সমীভবন, পরাগত সমীভবন ও অন্যোন্য সমীভবন।

3. পরাগত সমীভবনকাকে বলে?

উ:-পরাগত সমীভবন: যে সমীভবনে পরবর্তী ব্যঞ্জনের প্রভাবে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের পরিবর্তন ঘটে, তাকে পরাগত সমীভবন বলে। যেমন দুর্গা দুগ্ধা, কর্ম> কর্ম।

4. অন্যোন্য সমীভবনকাকে বলে?

উ:- অন্যোন্য সমীভবন: যে সমীভবনে পারস্পরিক প্রভাবে উভয় ব্যঞ্জনের পরিবর্তন ঘটে, তাকে অন্যোন্য সমীভবন বলে। যেমন: বৎসর বচ্ছর, উৎসব উচ্ছব।

5. প্রগত সমীভবনকাকে বলে?

উ:- প্রগত সমীভবন: যে সমীভবনে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের প্রভাবে পরবর্তী ব্যঞ্জনের পরিবর্তন ঘটে, তাকে বলে প্রগত সমীভবন। যেমন: পদ্ম পদ্দ।

6. সর্বনাম কী?

উ:-বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার করা হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। সব রকম নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় বলে এর নাম সর্বনাম। আমি, উদাহরণ: আমরা, তুমি, আপনি, আপনাকে, আপনার, ইহা, ইনি, উনি ইত্যাদি।

7. সাপেক্ষ সর্বনামকী?

যে সর্বনাম পদ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সংযোগ সাধন করে বা সঙ্গতি বিধান করে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে । যে-সে, সে, যিনি তিনি, যাহা তাহা।

৪. সমষ্টিবাচক সর্বনাম বা সাকল্যবাচক সর্বনাম কী?

যে সর্বনামের দ্বারা সমষ্টিবাচক ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবকে বোঝানো হয়, তাকে সমষ্টিবাচক সর্বনাম বা সাকল্যবাচক সর্বনাম বলে। উদাহরণ: সব, সর্ব, সকল, সবাই।

9. আত্মবাচক সর্বনাম কী?

এই সর্বনাম নিজস্ব বা আত্মভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ: স্বয়ং, নিজে নিজ খোদ, নিজে নিজে, আপনি।

10. অপিনিহিতি কথার অর্থ কী?

উ:-অপিনিহিতি কথার অর্থ হল পূর্বে স্থাপন। অপিনিহিতিতে ই বা উ স্বরকে পূর্বে স্থাপন করা হয়।

দেখিয়া > দেইখ্যা

11. প্রতিপাদিককী?

প্রতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নাম প্রকৃতি বা সাধিত শব্দ এবং বিভক্তিহীন তবে প্রত্যয়যুক্ত ক্রিয়ামূল বা ক্রিয়া প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়ের যোগে যে শব্দ ও ক্রিয়ামূল গঠিত হয় তার নাম প্রাতিপাদিক।

12. নাম - প্রাতিপাদিককী?

নাম - প্রাতিপাদিক বিভক্তহীন ও প্রত্যয়হীন কিংবা বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত নাম প্রকৃতিকে নাম প্রাতিপাদিক বলে । উদাহরণ: দোকান দার দোকানদার কে দোকানদারকে।

13. ক্রিয়া- প্রাতিপাদিককী?

ক্রিয়া - প্রাতিপাদিক বিভক্তহীন ও প্রত্যয়যুক্ত ধাতু প্রকৃতিকে ক্রিয়া প্রাতিপাদিক বলে। উদাহরণ কর অ করা+ কে করাকে।

14. অসম্পূর্ণ বা পঙ্গু ধাতুকী?

যে সব ক্রিয়াকে সব কালে ও ভাবে ব্যবহার করা চলে না তাদের বলা হয় অসম্পূর্ণ ক্রিয়া। যে সব ধাতু থেকে এ ধরনের ক্রিয়া হয় তাকে বলেঅসম্পূর্ণ বা পঙ্গু ধাতু। যেমন- দেখ।

15. মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতুকাকে বলে?

যেসকল ধাতুকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না তাদের মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু বলে। উদাহরণ: কর, চল, দেখ, খেল, পড.খা।

16. সাধিত ধাতুকাকে বলে?

মৌলিক ধাতু কিংবা নাম শব্দের সাথে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে সাধিত ধাতু বলে। উদাহরণ কর আকরা, দেখ আদেখা, পড়া পড়া.

17. সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতুকাকে বলে?

মৌলিক ধাতু যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠন করে তাকে সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু বলে। উদাহরণ। পূজা কর্, রাজি হ. কষ্ট পা, শাস্তি দে।

18. অব্যয়কী?

বাক্যে বা শব্দের সাথে ব্যবহৃত যে সকল ধ্বনি বিভক্তি, বচন, লিঙ্গ ও কারকভেদে কোনোভাবে পরিবর্তন হয় না. সেসকল পদকে অব্যয় বলে।

উদাহরণ: কর আকরা, দেখ আদেখা, পড় আ পড়া।

19. হেতুবাচক অব্যয় কী?

হেতুবাচক অব্যয়: যে অব্যয় হেতু বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাকে হেতুবাচক অব্যয় বলে। যেমন- কারণ, বলে, কেননা এই জন্য, যেহেতু, এই হেতু ইত্যাদি।

20. সংশয়সূচক অব্যয়কী?

সংশয়সূচক অব্যয়: যে অব্যয় সংশয় বা সন্দেহ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাকে সংশয়সূচক অব্যয় বলে। যেমন- বুঝি, নাকি, হয়তো, তাই নাকি, ইত্যাদি।

21. সিদ্ধান্তবাচক অব্যয়কী?

সিদ্ধান্তবাচক অব্যয় যে অব্যয় সিদ্ধান্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাকে সিদ্ধান্তবাচক অব্যয় বলে। যেমন- সুতরাং, বোধহয়, তাই, কাজেই, অতএব।

22. সাপেক্ষ অব্যয়কী?

সাপেক্ষ অব্যয়: যে সকল অব্যয় পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত অর্থাৎ একটিকে ব্যবহার করলে আর একটিকে ব্যবহার করতেই হয় তাকে নিত্যসম্বধী অব্যয় বলে। যেমন- যেমন- তেমন, যত তত, যখন-তখন, ইত্যাদি।

23. আবেগসূচক অব্যয় পদকী?

যে শব্দগুলি দিয়ে মনের আনন্দ, বেদনা, ক্রোধ, ঘৃণা, বিস্ময়, লজ্জা, সম্মতি, ইত্যাদি মনের নানারকম ভাব বা আবেগ প্রকাশ করা হয় তাদেরই আবেগসূচক অব্যয়পদ বলে। যেমন ওরে বাবা, এঃ দূর ছাই, কী জ্বালা, হিন, হায় হায়, আ মরি। শাবাশ। শাবাশ।

24. সংকোচক অব্যয়কী?

সংকোচক অব্যয়: যে অব্যয় বাক্যের অর্থকে সংকুচিত করে অর্থাৎ কাঙিক্ষত ফলের বিপরীত ফল প্রকাশ করে তাকে সংকোচক অব্যয় বলে। যেমন- কিন্তু, পরন্তু, বরং, বরঞ্চ, তথাপি, অথচ ইত্যাদি।

25. পদান্বয়ী অব্যয় কী?

যে অব্যয় বাক্য মধ্যস্থ একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের অন্বয় বা সম্বন্ধ স্থাপন করে, তাকে পদান্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন- হইতে, থেকে, চেয়ে, নিমিত্ত, বিনা, ব্যতীত, অবধি, সঙ্গে, দ্বারা ইত্যাদি।

26. বিভক্তি ও অনুসর্গের পার্থক্য আলোচনা কর।

পার্থক্যগুলি হল--

১) অনুসর্গের স্বাধীন অর্থ ও স্বাধীন ব্যবহার আছে, বিভক্তির স্বাধীন অর্থ ও স্বাধীন ব্যবহার নেই।

২) বিভক্তি পদের সঙ্গে যুক্ত অবস্থায় থাকে। অনুসর্গ পদের পরে আলাদা ভাবে বসে।

৩) বিভক্তি কোনো পদ নয়। অনুসর্গ নিজে এক ধরনের অব্যয় পদ।

27. বিভক্তি ও নির্দেশকের পার্থক্য আলোচনা কর।

বিভক্তি ও নির্দেশকের মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য আছে ১) বিভক্তি কারক বা সম্বন্ধ নির্দেশ করে। নির্দেশক শব্দের পরে যুক্ত হয়ে বচন নির্দেশ করে।

২) নির্দেশকের পর বিভক্তি যুক্ত হতে পারে। বিভক্তির পর নির্দেশক যুক্ত হতে পারে না।

৩) শব্দে বিভক্তিযুক্ত হলেই উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয় কিন্তু নির্দেশক যুক্ত হলেও অনেক সময় বিভক্তি যোগ করার প্রয়োজন হয়

28. প্রত্যয়কী?

যেসব ধ্বনি, শব্দ বা ধাতুর শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা ধাতু গঠন করে সেইসব ধ্বনিকে প্রত্যয় বলে। যেমন- চল অন্ত চলন্ত: জমিদার জমিদার। এখানে অন্ত' ও দার' দুটি প্রত্যয়।

29. কৃৎ প্রত্যয়কী?

ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে বলা হয় কৃৎ প্রত্যয়, এবং কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃদন্ত শব্দ বলে। যেমন গম (ধাতু) অন (প্রত্যয়) গমন (কৃদন্ত শব্দ)

30.. তদ্ধিত প্রত্যয়কাকে বলে?

শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে বলা হয় তদ্ধিত প্রত্যয়, এবং তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে-শব্দ গঠিত হয় তাকে তদ্ধিতান্ত শব্দ বলে। যেমন রঘু (শব্দ) অ (তদ্ধিত প্রত্যয়। রাখব তদ্ধিতান্ত শব্দ।

31. উপসর্গ ও অনুসর্গের পার্থক্য লেখ?

উপসর্গশব্দের আগে বসে কিন্তু অনুসর্গ শব্দের পরে বসে।

32. বিশেষণকী:

যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে। যেমন: ভালো, মন্দ।

THE QUARRELLING CATS AND THE MONKEY

Once two hungry cats found a piece of bread. But each of them tried to grab the whole of the bread and they began to fight with each other. At that time a monkey arrived at the spot and saw the quarrelling cats. He decided to settle the dispute. He took the piece of bread and broke it into two pieces. But the broken pieces were uneven in size and one piece was bigger than the other. So to make each share equal the monkey ate a portion from the larger piece. But he took a bite bigger than necessary and as a result the remaining piece became bigger. Then he took a bite from it to make it equal in size. In this way the monkey ultimately ate both the pieces while the two foolish cats continued to quarrel with each other.